পাঁচ ঘন্টা পর মেঘ ছিনে গেল। হামিদ চৌধুরী তখন তার
বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে থাকতেন, বাংলাদেশের ভবিষ্য
ৎ বলে একটি মেঘের স্পর্শ অনুভব করছিলেন। তিনি জানত
েন, ভবিষ্যৎ একটি স্থান নয়, এটি একটি সময় যেখানে
বিদেশি সংস্কৃতি আসে এবং পুরানো সংস্কৃতি তার মুখ
োমুখি হয়।
তিনি ঢাকার মাঝখানে একটি অসাধারণ ভূতের সম্পত্তি ক
িনেছিলেন—একটি ভূত যা ক্রুদ্ধ ছিল, এবং যার স্পর্শ
ে মাটি কাঁপত। সেই ভূত তার সম্পত্তি হিসাবে তাকে ব
েঁধে রেখেছিল। বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে তিনি একটি
সংস্কৃতি খুঁজছিলেন যা তার পরিবারের পরিবর্তনে সহ
ায়তা করতে পারে।
তিনি একটি মেলানকোলিক বুঝতে পেরেছিলেন—যে সম্পত্তি
তিনি কিনেছিলেন, তার সঙ্গে তার পরিবারের মধ্যে এক
টি বিরোধ উত্থিত হয়েছিল। ভূত তার পরিবারকে বিদেশি
সংস্কৃতির প্রভাবে ছাড়া দিতে চাইছিল না। এই বিরো
ধ তার পরিবারের মধ্যে একটি ভাঙন তৈরি করেছিল।
একদিন রাতে ভূত তার বাড়ির মধ্যে বাড়ির সম্পত্তি
থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। হামিদ বুঝতে
পেরেছিলেন যে এই ভূত তার সম্পত্তি হিসাবে তাকে বে
ঁধে রেখেছিল কারণ তিনি তার পরিবারের পরিবর্তন বাধা
দিচ্ছিলেন।
তিনি তখন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—তিনি তার পরিব
ারের পরিবর্তন আর বাধা দেবেন না, এবং ভূতকে তার সম
্পত্তি থেকে ছাড়িয়ে দেবেন। এই সিদ্ধান্ত তার পরি
বারের মধ্যে একটি মেলানকোলিক সমাধান সৃষ্টি করেছিল
, যেখানে বিদেশি সংস্কৃতি আর পুরানো সংস্কৃতি সম্প
র্কে একটি নতুন বোঝার সৃষ্টি হয়েছিল।
ভবিষ্যৎ এখন একটি স্থান নয়, এটি একটি মেলানকোলিক
সম্ভাবনা যেখানে সংস্কৃতি আর সম্পত্তি একসাথে থাকত
ে পারে।


