দুই দশক আগে বিধবা হয়ে গেলেন রাজীব খান, এক অভিশপ

্ত জমিদার। তাঁর প্রথম স্ত্রী লালিতা এক ভূতের সাথ

ে বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু ছিল এক বিভীষিকা

কাহিনি। তার পর থেকে তিনি তাঁর জমিদারি হারিয়ে ফ

েলেন, বাংলা বীজের একটি গোপন রহস্য তাঁর কাছে সংরক

্ষণ করে রাখে।

তিনি ঢাকায় বসবাস করেন, কিন্তু শহুরে একাকীত্ব তা

ঁকে দুর্বল করে তোলে। একদিন একটি অজানা নারী তাঁর

কাছে আসেন— তিনি ছিলেন লালিতার একমাত্র ঝি আফরোজা,

যিনি তাঁর প্রেমের আসল সত্য জানতেন। আফরোজা বলেন,

"আপনার প্রেম এখনও জীবিত আছে, কিন্তু এটা আপনার ক

াছে আসবে না যদি আপনি না হন পুরনো কাহিনির একটি অং

শ।"

রাজীব আফরোজার সাথে বাংলা বীজের একটি মহান শহরে যা

ন, যেখানে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর প্রেম ছিল একট

ি স্বপ্ন যা বাস্তবে কখনও হয়নি। তাঁর জমিদারি ছিল

একটি ভূতের প্রতীক এবং তাঁর প্রেম ছিল একটি ভূতের

কাহিনি যা তিনি কখনও বুঝতে পারেননি।

আফরোজা মারা যান একটি মহামারীতে, কিন্তু তাঁর মৃত্

যু রাজীবকে সত্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। তিনি

বুঝতে পারেন যে তাঁর জমিদারি ছিল না কোনও প্রকৃত ম

ালিকানা, বরং একটি ভূতের বাণী যা তাঁর প্রেম ও অভি

শপ্ত ইতিহাসকে সংরক্ষণ করে রাখে।

তিনি একটি প্রাচীন মন্দিরে যান, যেখানে তিনি নিজেক

ে একটি অংশ হিসেবে স্বীকৃত করেন। এই মন্দির ছিল প্

রাচীন জমিদারি কাহিনির মূল উৎস এবং তাঁর প্রেম ফির

ে আসে একটি শহুরে একাকীত্বের মধ্যে যেখানে তিনি নি

জেকে আবেগঘন করে তোলেন।

অবশেষে তিনি বুঝতে পারেন যে তাঁর জীবন ছিল একটি পু

রনো প্রেমের ফিরে আসার গল্প, একটি অভিশপ্ত জমিদারে

র স্মৃতি যা প্রাচীন রহস্যের মধ্যে প্রাণ ধরে রাখে