ঢাকার একটি পুরনো ঘরে একটি নারী তার পুত্র সৈয়দ ম
োহাম্মদের হাতে একখানা চিঠি তুলে দেয়। চিঠিটি ১৯৪
৭ সালের, তখন জমিদার বাড়িতে আগুন লাগে এবং তার পর
িবার বিখণ্ডিত হয়। চিঠিটি তখনকার অভিশপ্ত জমিদার
রাজা মোহাম্মদ খানের হাতে লেখা, যিনি স্বয়ং বাঙাল
ি ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি পরিবারের ন
ারীদের একটি দুর্গ তৈরি করেছিলেন যেখানে সাধু ও পী
রের পূজা করা হয় এবং ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণ করা
হয়।
তবে এই পুরানো ধর্মীয় নিয়ম আজকের গ্রামে বিভ্রান
্তি সৃষ্টি করে। পুত্র সৈয়দ মোহাম্মদ জমিদার বাড়
ির বর্তমান মালিক এবং একজন নারী সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠ
াকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি তার মায়ের সাথ
ে একটি বিবাদ করছিলেন, কারণ তিনি পুরানো চিঠিটি প্
রকাশ করতে চাইছিলেন যাতে জমিদারি ঐতিহ্য ও তার ধর্
মীয় অনুশাসন সম্পর্কে জনসাধারণের জ্ঞান বৃদ্ধি হয
়।
গ্রামে একটি নারী সংঘ এই ঘটনার বিরুদ্ধে উঠে আসে।
তারা বলে যে পুরানো চিঠি জমিদার পরিবারের অতীতের ছ
ায়া প্রকাশ করবে এবং তা গ্রামের ধর্মীয় আচরণে বি
ঘ্ন সৃষ্টি করবে। এই বিরোধ সংঘটিত হয় এবং সৈয়দ ম
োহাম্মদ পরিবারের মধ্যে একটি বিভাজন ঘটায়। তিনি ত
ার মায়ের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন এবং তার নার
ী পরিবারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
তবুও একদিন একটি গোপন সভায় জমিদার বাড়ির পুরানো
কক্ষে সৈয়দ মোহাম্মদ তার মায়ের সাথে দেখা করেন।
তিনি একটি চিঠি হাতে নিয়ে বলেন যে এটি তার পিতার
হাতে লেখা এবং তার মায়ের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছি
ল। চিঠিটি জমিদার বাড়ির প্রকৃত ঐতিহ্য ও ধর্মীয়
আচরণের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই চিঠি গ্রামের সবাইকে জ
মিদার পরিবারের অতীত ও ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি মন
োযোগ দেয়।
এই ঘটনার ফলে গ্রামে একটি নারী সংঘ ও পুরুষ সংঘের
মধ্যে একটি আলোচনা শুরু হয়। সৈয়দ মোহাম্মদ এই আল
োচনা থেকে একটি নতুন ধর্মীয় অনুশাসন বানান, যেখান
ে নারী ও পুরুষের মধ্যে সম্মান ও সম্পর্ক সমান হয়
। এই পরিবর্তন গ্রামের সবাইকে নস্টালজিক করে তোলে
এবং জমিদার পরিবারের অতীতের ছায়া আজকের গ্রামে স্
পষ্ট হয়ে ওঠে।


