বাগদাদ থেকে আসা এক রহস্যময় পীর ঢাকার একটি সংখ্য

াগুরু পরিবারে প্রবেশ করেন। তাঁর হাতে একটি কালো ক

াগজ ছিল, যেখানে তাঁর পুত্রের সঙ্গে এক বিয়ের অনি

র্ধারিত সংযোগ রয়েছে বলে লেখা ছিল। পরিবারের পুরু

ষ শাখা কিছুতেই এ কথা মেনে নিতে রাজি হন না। তখন প

ীর বলেন, আমি এই চুক্তিটি ভেঙে দেবো, কিন্তু এটি উ

ত্তরণকালের সময় লেখা হয়েছিল। এটি ছিল একটি চোরের

অনুশোচনা — একটি অপরাধ যার শিকার ছিল এক বিধবা না

রী।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘাত বাড়তে থাকে। পুরুষ

প্রধান বাড়ির পরিচালনার দায়িত্ব আর নয়, কারণ ত

িনি জানতে পারেন যে তাঁর পুত্র এক প্রবাসী বাঙালি

মেয়ের সঙ্গে প্রেম করছে। এ সময় পীর তাঁর কাছে এক

টি চুক্তির কথা বলেন — তিনি বলেন যে সেই মেয়ে উত্

তরণকালের একটি বিয়ে বাধ্যতামূলক ছিল। তাঁর পরিবার

ের পক্ষ থেকে এটি ছিল একটি ভূতের কাহিনি, যার মাধ্

যমে তাঁদের সংখ্যাগুরু পরিবার অন্যদের সাথে সম্পর্

ক বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিল।

পরিবারের পুরুষ প্রধান চোরের অনুশোচনার কারণে ক্ষু

ব্ধ হন। তিনি পীরকে বলেন, আপনি আমাদের বাড়ির ঐতিহ

্যকে ধ্বংস করছেন। কিন্তু পীর বলেন, আমি একজন পীর

হিসেবে আপনাদের মনের অন্তরে যাই এবং তার সত্য বার

করি। তিনি একটি পুরানো নদীর কাছে তাঁর পুত্রকে ডাক

েন এবং সেখানে একটি গুপ্ত কবর খুঁজে বার করেন। সেখ

ানে পাওয়া হয় একটি প্রাচীন পত্র, যা প্রমাণ করে

যে তাঁর পুত্রের বিয়ে ছিল একটি অপরাধের ফলশ্রুতি

— একটি চোরের অনুশোচনা।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘাত শেষ হয় এবং একটি ন

তুন পরিবার গঠিত হয় যা উত্তরণকালের স্মৃতি ও প্রব

াসী প্রেম দ্বারা চিহ্নিত হয়। পীর তাঁর কাজ শেষ ক

রেন এবং তাঁর কাছে একটি সংঘাতপূর্ণ সত্য রয়েছে যা

এখন সেই পরিবারের মধ্যে প্রতিফলিত হয়।