উত্তরণকালের ঢাকায় একটি চাষী পরিবার তাদের জমি হা

রায়। স্বামী মারা যাওয়ার পর নিঃসন্তান গৃহবধূ তা

র স্বামীর বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়। তার স্বামীর ভা

ই জমি নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে। একদিন সে জম

ি বিরোধের কথা জানতে পারে যে স্বামী তাকে মারা যাও

য়ার আগে জমির সাক্ষ্য দিয়েছিল। তবে সেই সাক্ষ্য

মুখস্থ করা হয়নি।

শহুরে একাকীত্ব তাকে বিপর্যস্ত করে। সে বাড়ি ছাড়

া হয়ে একটি ছোট ঘরে থাকে, কিন্তু জমির কথা তার মা

থায় ঘুরতে থাকে। একদিন সে জানতে পারে যে জমি তার

স্বামীর ভাইয়ের নামে নিবন্ধন করা হয়েছে। সে তার

স্বামীর ভাইয়ের ঘরে ঢুকে জমির খাতা খুঁজে পায়। ত

বে সেখানে একটি কাগজ পাওয়া যায় যেখানে স্বামী জম

ি তার নামে দান করেছিলেন।

জমি বিরোধের কারণে সে স্বামীর ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া

করে। তার স্বামীর ভাই তাকে বাড়ি থেকে বের করে দে

য়। সে জমি ফেরতে চায় কিন্তু কোনও কাগজ নেই। একদি

ন সে জানতে পারে যে জমি তার স্বামীর ভাই বাজারে বি

ক্রি করেছে। সে তার স্বামীর ভাইয়ের ঘরে ঢুকে জমির

খাতা উধাও করে। তার স্বামীর ভাই তাকে ধরে ফেলে।

উত্তরণকালের নিয়ম অনুযায়ী জমি বিরোধে কেউ কারও জ

মি নেয়ার অধিকার নেই। সে জমি ফেরতে চাইলে কোনও কা

গজ নেই বলে তাকে কারাগারে বন্দি করা হয়। শহুরে এক

াকীত্ব তাকে অপরাধী করে তোলে। তবে সে জমি ফেরতে চা

য় কিন্তু কোনও কাগজ নেই। সে কারাগারে থাকে এবং জম

ি ফেরতে চায়।

পুরুষ তার স্বামীর ভাইয়ের ঘরে ঢুকে জমির খাতা খুঁ

জে পায়। কিন্তু সেখানে কোনও কাগজ নেই। সে জমি ফের

তে চাইলে তাকে কারাগারে বন্দি করা হয়। উত্তরণকালে

র নিয়ম অনুযায়ী কেউ কারও জমি নেয়ার অধিকার নেই।

সে কারাগারে থাকে এবং জমি ফেরতে চায়।