ঢাকার একটি দুর্গম চরে জমি বিরোধ শুরু হয়। রহিমা,

একজন বিধবা নারী, তার ছোট ভাই ফারুকের সঙ্গে জমি

বিষয়ে অসহমত ঘটে। তার দেওর আবদুল হামিদ সেই জমি আ

বার কাছে আনার চেষ্টা করছে, নিষ্ঠুর দেওর হিসেবে ত

ার উপর চাপ বাড়াচ্ছে। মহাপ্রলয়ের পরে এই জমি আর

বাংলাদেশের প্রান্তর কাজ করছে—বৃষ্টি এবং খাল পানি

সব কিছু বদলে দিচ্ছে চরের সীমা এবং মালিকানা বিষয

়ে অবিশ্বাসযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করছে। এই বিষয়টি মুক

্তিযুদ্ধের স্মৃতি সাথে জড়িত—রহিমার ভাই ছিল যুদ্

ধের মার্তোয়। তার মৃত্যু জমি বিরোধের আরেকটি চাবি

হিসেবে কাজ করছে।

ফারুক তার মায়ের বাড়িতে নিষ্ঠুর দেওরের চাপে নিজ

ের সংখ্যায় হার মানে। রহিমা কিন্তু তার মায়ের মর

্যাদা ও মুক্তিযুদ্ধের মৃত ভাইয়ের স্মৃতি রক্ষা ক

রার জন্য দৃঢ় হয়। একদিন সে একটি আবেগঘন বার্তা ছ

ুড়ে মারে আবদুল হামিদের দিকে—তার জমি হারানো প্রক

ৃত সংখ্যায় হার মানা হবে না, যেখানে মুক্তিযুদ্ধে

র স্মৃতি বাঁচানো হবে। এই ঘটনা একটি চর চারপাশে চা

ঞ্চল্য তৈরি করে, মহাপ্রলয়ের পরে বাংলাদেশের মাটি

আর মানুষের মধ্যে নতুন এক সংখ্যায় জন্ম দেয়। রহ

িমা তার জমি বাঁচানোর জন্য একটি গুপ্ত সংখ্যা খুঁজ

ে পায় যা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আর মহাপ্রলয়ের বা

ংলাদেশের প্রান্তর সংখ্যায় বাঁচানোর জন্য একটি রহ

স্য বহন করে। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আর মহ

াপ্রলয়ের সংখ্যায় এক সংখ্যায় বাঁচানোর প্রতীক।