বাংলাদেশের একটি ছোট গ্রামে একজন ফেরিওয়ালা তার স

াধারণ জীবন পরিচালনা করছিল। সে বাজারে ঘুরে বেড়ায

়, খাবার বিক্রি করে এবং মাঝে মাঝে কাউকে ছুঁড়ে ম

ারে। কিন্তু একদিন তার কাছে এসে একজন অজানা অতিথি

দাঁড়ায় — তার চোখে কোনও ভবিষ্যৎ দেখা যায় না। স

ে কোনও সময় আসেনি, কোথা থেকে আসেনি, কিন্তু তার হ

াতে একটি পুরানো চাবি ছিল যা ফেরিওয়ালার মায়ের ব

াড়ির দরজা খুলে দিত।

ফেরিওয়ালার মায়ের বাড়ি ছিল গ্রামের সবচেয়ে বড়

জমিদারি বাড়ি। তার মায়ের প্রথম বিয়ে ছিল অনির্

ধারিত, কারণ সে শুধু একজন বৃদ্ধ পুরুষের সাথে বিয়

ে করেছিল যার বাড়ি একটি বিশাল পরিবারের ছিল। তার

স্বামী মারা যাওয়ার পর সে তার পুত্রকে একজন অজানা

অতিথি হিসাবে দেখতে শুরু করে। ফেরিওয়ালা বুঝতে প

ারে যে সে তার মায়ের বাড়ির সম্পত্তি প্রত্যাখ্যা

ন করে কিছু অপরিচিত ক্ষমতার মধ্যে পড়ে আছে।

মহাপ্রলয়ের বাতাস শুরু হয়। একটি স্বপ্নে ফেরিওয়

ালার মায়ের কথা শুনতে পায়: "আমার স্বামী মারা যা

ওয়ার পর আমার বাড়ি কেউ নেয়া হবে না।" সে মায়ের

বাড়ি ছেড়ে চলে যায়, কিন্তু পথে তার কাছে এসে স

েই অজানা অতিথি আবার দেখা যায়। তার হাতে একটি পুর

ানো চাবি ছিল, যা ফেরিওয়ালার মায়ের বাড়ির দরজা

খুলে দিত। তখন সে বুঝতে পারে যে সে তার মায়ের বাড

়ির একটি অংশ হিসাবে জন্মগ্রহণ করেছিল — একটি অনির

্ধারিত বিয়ের ফলে জন্মগ্রহণ করা সন্তান।

মহাপ্রলয়ের আগুন গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে, এবং ফেরিওয

়ালার মায়ের বাড়ি একটি ভূতের বাড়ি হিসাবে পরিণত

হয়। সে তার মায়ের বাড়ি পুনরায় আবিষ্কার করে এ

বং তার মায়ের বাড়ির সম্পত্তি প্রত্যাখ্যান করে।

কিন্তু সে মায়ের বাড়ির ক্ষমতার মধ্যে পড়ে আছে,

এবং সে মায়ের বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। সে তার মায়ে

র বাড়ি ছেড়ে চলে যায় এবং একটি মেলানকোলিক বাতাস

ে প্রবেশ করে।