ঢাকার বাসায় আবার একটি ঘটনা হাজির হল। পুলিশ কর্ম

কর্তা মোস্তফা দুই দিন আগে তার ভাই আবদুল্লাহর খুন

ের খবর পেয়েছিল। খুনটি ঘটেছিল মহাপ্রলয়ের সময়,

যখন বাংলাদেশের আকাশ ঝাঁক ঝাঁক আগুনে জ্বলছিল, এবং

মাটি থেকে কুয়াশা উঠছিল। এই ঘটনার পিছনে ছিল একট

ি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ, যার সঙ্গে মোস্তফা পুরোপুরি

জড়িত ছিল।

আবদুল্লাহ ছিল একজন গ্রামীণ মেয়ে সাবিনার প্রেমিক

। তাদের প্রেম ছিল সংঘাতপূর্ণ — সাবিনার পরিবার ছি

ল একটি জমিদার পরিবার যারা প্রবাসী প্রেমকে ঘৃণা ক

রত। মোস্তফা তখন পুলিশ কর্মকর্তা ছিল এবং তার কাছে

সাবিনার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ ছিল — তিনি একটি মু

ক্তিযুদ্ধের গল্প রচনা করছিলেন যা সামাজিক ক্ষতি ক

রতে পারে।

মোস্তফা তখন সাবিনাকে প্রতিশোধ দিতে চায়, কিন্তু

তিনি জানেন যে তার ভাই আবদুল্লাহ ছিল তার প্রতিশোধ

ের পথে পরিবর্তন করেছিল। মোস্তফা তখন একটি নির্দিষ

্ট বিধবা নারী বাড়িতে যায়, যেখানে সাবিনা এখন থা

কে। সেখানে তিনি একটি অস্পষ্ট চিত্র দেখেন — একটি

গ্রামীণ জীবনের চিত্র, যেখানে প্রতিটি বাড়িতে ভূত

থাকে। সাবিনা এই ভূতগুলি চালায়, কারণ তিনি মুক্ত

িযুদ্ধের গল্প লিখতে চান যা তাদের জন্য প্রাণের ব্

যথা বাড়াবে।

মোস্তফা তখন সাবিনাকে জানায় যে তার ভাই তার প্রেম

নিয়ে ছিল এবং তিনি তার প্রতিশোধে নিয়ে এসেছিলেন

। সাবিনা জানায় যে তিনি তার প্রেমকে রক্ষা করতে চ

ান, কিন্তু তার পরিবার তাকে বাধা দিচ্ছে। মোস্তফা

একটি বিচার করেন — তিনি সাবিনাকে সংঘাতের মধ্যে ফে

লে দেন, কিন্তু তার কাছে একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ হ

িসাবে তিনি একটি পরিবর্তন করেন: সাবিনা এখন তার প্

রতিশোধে একজন সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে উঠেছে।

সাবিনা মোস্তফার পাশে দাঁড়ায়, কারণ তিনি জানেন য

ে তার প্রেম এখন তার পরিবারের বিরুদ্ধে নয়, বরং ম

ুক্তিযুদ্ধের গল্প লিখতে চায় যা সমাজের জন্য বিশ্

বাস ফিরিয়ে আনবে। মোস্তফা তখন তার প্রতিশোধ ছাড়ি

য়ে দেয়, কারণ তিনি জানেন যে এখন সাবিনার সংঘাত স

ংখ্যাগুলি সংখ্যাগুলি নয় — এটি তাদের দুজনের প্রত

িশোধ হিসাবে একটি নতুন রূপ নিয়েছে।

মহাপ্রলয়ের পর বাংলাদেশের মাটি থেকে কুয়াশা উঠে

যায়, এবং সাবিনা এবং মোস্তফা একটি নতুন সংঘাত চাল

ানো শুরু করে — এবার এটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ নয়, ব

রং এটি একটি নতুন সংখ্যা।