বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে একটি অবহেলিত গ্রামে, মহাপ

্রলয়ের নীচে বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব পড়ছে খালি

হাড়ের মতো। এখানে ভূতের বাড়ি বলে একটি পুরানো ঘর

রয়েছে, যেখানে স্থানীয় মানুষ বিশ্বাস করে যে এই

ঘরটি জমিদার বংশের শেষ পরিবারের অবশিষ্ট রয়েছে।

অপরাধ বুঝে কাজ করা একজন সৎ পুলিশ কর্মকর্তা এই ঘর

ে ঢুকে পড়ে। তার হাতে একটি প্রমাণপত্র রয়েছে — এ

কটি শহুরে প্রতারণার ছবি, যেখানে একটি নারী জমিদার

ি কাহিনি ঘিরে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিল। তিনি জানতে চান

এই ঘরটি কী করে এখনও সংরক্ষিত রয়েছে।

একটি রহস্যময় অনুভূতি তার পায়ে বাড়ির কাছে পৌঁছ

ানোর সময় দেখা দেয়। ঘরের বাইরে একটি বাগান রয়েছ

ে, যেখানে বিদেশি প্রতিমা ও সংস্কৃতির ছাপ ছড়িয়ে

রয়েছে — যেগুলো প্রবাসী প্রেম আর মুক্তিযুদ্ধের

গল্পের মধ্যে সংযুক্ত হয়েছে। সেখানে তিনি একটি অপ

রিচিত নারীকে দেখেন — একজন বিধবা নারী, যে ঘরটি বা

ঁচানোর জন্য জমিদারি কাহিনির রহস্য জানে।

পুলিশ কর্মকর্তা তাকে প্রশ্ন করেন, কিন্তু নারীটি

কোনো উত্তর দেয় না। তিনি মনে করেন এটা কোনো ভূতের

কাজ — কিন্তু বাস্তবে এটা হল শহুরে প্রতারণার একট

ি সংস্কৃতিগত অংশ। জমিদার বংশের শেষ বংশধর এখানে র

য়েছেন, যিনি এই ঘরটি বাঁচানোর জন্য সংস্কৃতি আর ব

িদেশি প্রভাব একসাথে ব্যবহার করছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বুঝতে পারেন যে এই ঘরটি শুধু ভূতে

র নয় — এটা একটি রহস্যময় ইতিহাসের অংশ, যেখানে স

ৎ পুলিশ কর্মকর্তা আর একজন নারী বিদেশি সংস্কৃতির

প্রভাবে নিজেদের জমিদারি কাহিনি আর মুক্তিযুদ্ধের

গল্প বাঁচাতে চায়।

তিনি ঘরটি বন্ধ করে দেন, কিন্তু জানেন যে এটা কোনো

বাস্তব কাজ নয় — এটা একটি সামাজিক বার্তা, যা বল

ে যে গ্রামীণ জীবন আর শহুরে প্রতারণা একসাথে সংস্ক

ৃতির মধ্যে আসে।