১৯৭১ সালের পর উত্তরণকালে, ঢাকার একটি গৃহসংস্থানে
একটি পরিবারের অভিভাবক হিসেবে কাজ করতে থাকা রমেশ
তার ছোট ভাই সুরেশকে ভরসা করে সামাজিক কর্মে নিয়
োজিত করে। সুরেশ একটি ভণ্ড সাধুর কাছে ধর্মীয় অনু
শাসনের প্রচারে জড়িয়ে পড়ে এবং তার পরিবারকে অপর
িচিত বিশ্বাসে আকৃষ্ট করে।
রমেশ সুরেশের প্রতি বিশ্বাস ক্রমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয
়, যখন সে একটি পারিবারিক সম্পত্তি বিষয়ক খুঁতখুঁ
তে বিষয়ে তার পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করে। সুরেশ তখ
ন সাধুর সাথে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুশাসন চালা
চ্ছিল, যেটি তার পরিবারের পরিবার পরিচয় ও আর্থিক
স্থিতি উপেক্ষা করে।
রমেশ তার মায়ের কাছে এই সমস্যা ব্যক্ত করে এবং তা
কে সুরেশকে এই ধর্মীয় অনুশাসন থেকে বাঁচানোর জন্য
অনুরোধ করে। মায়ের বিশ্বাস ছিল যে ধর্মীয় অনুশা
সন কখনও পরিবারের বন্ধন ভেঙে দেয় না, কিন্তু সুরে
শের ভয়ানক চরিত্রের পরিবর্তন তাকে আর আশা করতে দে
য় না।
অবশেষে, রমেশ একটি আবেগঘন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে — স
ুরেশকে ধর্মীয় অনুশাসন থেকে বাঁচানোর জন্য তার পর
িবার এবং তার নিজের জীবনের সম্পূর্ণ অংশ বলে ঘোষণা
করে। সে তার ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতার মুখোমুখি হয়
ে একটি অনুশাসন ও পরিবারের মধ্যে প্রতিযোগিতার বাহ
ুবলে নিজেকে স্থাপন করে এবং পরিবারের সামনে সত্য ঘ
োষণা করে।
উত্তরণকালের এই সংঘর্ষ ধর্মীয় অনুশাসন ও পরিবারের
মধ্যে একটি সীমানা সৃষ্টি করে, যেটি সমাজের সব মা
নুষের জীবনে অনুভব করা যায়। রমেশ তার ভাইয়ের বিশ
্বাসঘাতকতা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সম্পূর্ণ
পরিবর্তন করে এবং তার পরিবার ও সমাজের প্রতি তার ন
তুন প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে।


