গোলাম আহমদের ছোট মেয়ে ফাতেমা তার অপরিচিত মুসলিম

প্রবাসী সালেম খানের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে করানো

হয়। তার শাশুড়ি মাহফুজা কবরী তার মেয়ের প্রতি

আশা ছিল ভিন্ন — তিনি চাইতেন তার মেয়ে ঢাকার মধ্য

ে একজন স্বাধীন মহিলা হবে। কিন্তু উত্তরণকালের বিভ

িন্ন শক্তি তখন সংকটে নিমগ্ন ছিল।

ফাতেমা তার স্বামী সালেমের সঙ্গে চর ঘাটায় একটি প

ারিবারিক বাড়িতে চলে যায়। মাহফুজা কবরী তার মেয়

ের জন্য একটি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনিয়ে আসেন — এ

কজন সামরিক নেতা কিভাবে তার শহীদ পরিবারের সংগ্রাম

থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। এই গল্পটি ফাতেম

াকে একটি অস্পষ্ট উদ্দেশ্যে পৌঁছায় — তিনি চান না

যে তার জীবন কারো হাতে নির্ভর করে থাকুক।

মাহফুজা কবরী তার বুদ্ধিমত্তা ও শক্তির সঙ্গে একটি

ক্ষমতার লড়াই শুরু করেন — তিনি সালেম খানের বিরু

দ্ধে একটি রাজনৈতিক অভিযান চালান। কিন্তু এই অভিযা

নে তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফাতেমা তার শাশুড়ি

কে জোরপূর্বক বিয়ের পরিবর্তে স্বাধীনতার সংগ্রামে

যোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এই মুহূর্তে তিনি

একটি হৃদয়বিদারক সিদ্ধান্ত নেন — তিনি তার স্বামী

সালেম খানকে ত্যাগ করেন এবং তার শাশুড়ির পথে চলে

যান।

উত্তরণকালের ক্ষমতার লড়াই আর জোরপূর্বক বিয়ের বি

রুদ্ধে যুদ্ধে মাহফুজা কবরী এবং ফাতেমা তাদের পরিব

ার এবং সমাজের প্রতি দায় পালন করেন। তাদের প্রতিশ

োধ ছিল স্বাধীনতার দাবি, আর তাদের প্রতিশোধ ছিল পর

িবারের মূল্য এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশ গ্রহণ।

ফাতেমা তার শাশুড়ির পাশে দাঁড়িয়ে একটি নতুন সংগ

্রাম শুরু করেন — একটি হৃদয়বিদারক সংগ্রাম, যেখান

ে তিনি নিজেকে একটি মহিলা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন,

আর নয় কোনও স্বামীর হাতে নির্ভর করে থাকা মহিলা।