সাত ভাইবোনের বাড়িতে শুধু কালো বাতি জ্বলত না, সে

খানে বাড়ির প্রতিটি কোণ থেকে ভূতের ছায়া ঝুঁকত।

পুরুষ গৃহস্থ বাবু এই ভূতগুলোকে দমন করতে চাইলেও ত

ার পরিবারের অতীতে প্রবাসী প্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের

গল্প ছড়িয়ে ছিল। নিষ্ঠুর দেওর তার বৌ এবং বাচ্চা

দের দুঃখ নিয়ে কোনো চিন্তা করত না, কিন্তু একদিন

তার চোরের অনুশোচনা খুলে পড়ল বাড়ির প্রথম ঘরে।

উত্তরণকালের জমিদারি কাহিনি ও প্রবাসী প্রেমের সঙ্

গে তার মায়ের বিধবা জীবন তাকে একটি রহস্য দেখিয়ে

ছিল — যে রহস্য এখন বাড়ির ভূতের মুখে বলা হচ্ছে।

পুরুষ গৃহস্থ বাবু ভূতগুলোর কাহিনি শুনে ক্ষুব্ধ হ

য়ে তার বৌকে মারধর করে বাড়ি থেকে বাইরে করে দেয়

বাড়ির ভূতগুলো তখন সেই সংঘাতপূর্ণ অনুশোচনা থেকে

প্রকাশ করে যে নিষ্ঠুর দেওর তার বৌকে বাড়ি থেকে ব

াইরে করার পর বাবু তার মায়ের সাথে দুই ঘন্টা কথা

বলে রাতে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনার পর ভূতগুলো বাড়

ির কোনো কোণ থেকে না ঝুঁকে আর কেউ কোনো ভূতের ছায়

া দেখতে পায় না।

তবু পুরুষ গৃহস্থ বাবুর মৃত্যু পরে বাড়ির সব কিছু

অন্য রকম হয়ে যায় — কোনো ভূত আর কারো কাছে কথা

বলে না, কিন্তু বাড়ির প্রতিটি কোণ থেকে তার চোরের

অনুশোচনা আর বাড়ির ভূতের আতঙ্ক বারবার বার্তা দে

য়। এই বাড়িতে যে কোনো কালে আর সংঘাতপূর্ণ মুহূর্

ত আসবে না বলে মনে হয়।