রাজশাহী জেলার একটি ছোট গ্রামে, মুহম্মদ চৌধুরী তা

র কৃষি জমি হারিয়ে সংকটে পড়ে যায়। তার ছেলে আব্

দুল কালেম শহরে শিক্ষক হয়ে যায় আর তার সাথে সংযু

ক্ত হওয়া অপরিচিত পরিবারের সঙ্গে টানা দ্বন্দ্ব শ

ুরু হয়। তার মায়ের স্বামী ছিল জমিদার কুলীন পরিব

ারের সদস্য আর এখন সে জমি হারিয়ে ঘরে ফিরে আসে কৃ

ষক হিসেবে। তার ছেলে আব্দুল কালেম শহরে পড়াশুনা ক

রছিল আর সে তার পরিবারের কথা আর পাড়াপ্রতিবেশীদের

কথা নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে।

তখন উত্তরণকালের রাজনৈতিক চাপ সব কিছুকে কাঠ করে ত

ুলেছিল। মুক্তিযুদ্ধের গল্প আর স্মৃতিকথামূলক জীবন

এখন অস্থায়ী স্বপ্ন হয়ে যায়। আব্দুল কালেম তার

মায়ের কাছে একটা রহস্য খুলে দেয়— তার পিতার কাছ

ে ছিল একটি ভূতের গল্প আর সে তার মায়ের সাথে সেই

ভূত থেকে মুক্তি পেতে চায়।

তার মায়ের প্রতি তার শিক্ষকের ত্যাগ এখন অন্য রকম

হয়ে যায়। তিনি শহরে পড়াশুনা করছিলেন আর তার স্

বামী ঘরে ফিরে আসে বিধবা হয়ে। তিনি প্রতিটি মুহূর

্তে সেই পরিবারের সাথে সংঘর্ষ করছিলেন আর তার ছেলে

আব্দুল কালেম তাকে বাধা দিচ্ছিল তার পিতার সাথে ম

িলিত হওয়ার জন্য।

একদিন তিনি তার পিতার কাছে যান আর তিনি তার সাথে এ

কটি চুক্তি করেন। তিনি তার জমি হারানো জমিদার পরিব

ারের কাছে ফিরে পাওয়ার জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা

করেন আর সে হল তার ছেলে আব্দুল কালেমকে বিয়ে দেয়

া। কিন্তু তার ছেলে তার সাথে বিয়ে করতে চায় না।

সে তার প্রবাসী প্রেমের সাথে যুক্ত হয়ে আছে।

উত্তরণকালের রাজনৈতিক আন্দোলন তখন গ্রামে বিস্ফোরণ

ঘটায়। আব্দুল কালেম তার শিক্ষকের ত্যাগ নিয়ে তা

র মায়ের সাথে সংঘর্ষে পড়ে আর তার পিতার কাছে তিন

ি তার শিক্ষকের ত্যাগ নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে।

একটি বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি হয় আর সেই পরিস্থিতি

তাদের পরিবারকে বিভক্ত করে দেয়।

আব্দুল কালেম তার মায়ের কাছে বলে যে তিনি তার পিত

ার সাথে কোনও চুক্তি করবেন না আর তিনি তার প্রবাসী

প্রেমের সাথে যুক্ত থাকবেন। তার মায়ের চোখে কান্

না আর তার ছেলের চোখে অসন্তুষ্টি দেখা যায়। তখন ত

িনি তার ছেলের প্রেমের সাথে সংঘর্ষ করেন আর তিনি ত

ার ছেলেকে বলেন যে তিনি তার পিতার কাছে কোনও চুক্ত

ি করবেন না।

উত্তরণকালের রাজনৈতিক চাপ আর পারিবারিক দ্বন্দ্ব এ

খন তাদের পরিবারে হৃদয়বিদারক অবস্থা সৃষ্টি করেছে

। তার মায়ের কাছে তার ছেলে তার পিতার সাথে সংঘর্ষ

করে আর তিনি তার ছেলেকে তার প্রবাসী প্রেম ছেড়ে

দিতে বলেন। কিন্তু তিনি তা করতে চান না। তার মায়ে

র চোখে কান্না আর তার ছেলের চোখে অসন্তুষ্টি দেখা

যায়। একদিন তিনি তার ছেলেকে বলেন যে তিনি তার পিত

ার সাথে কোনও চুক্তি করবেন না আর তিনি তার প্রবাসী

প্রেমের সাথে যুক্ত থাকবেন।

এই সব ঘটনা তাদের পরিবারকে বিভক্ত করে দেয় আর তার

মায়ের সাথে তার ছেলের দ্বন্দ্ব চিরতরে চলতে থাকে