গোপালপুরের একটি গ্রামে দুই ভাইয়ের মধ্যে শুরু হও

য়া ঝগড়া উত্তরণকালের আঁধারে গভীর হয়ে যায়। বড়

ভাই মুক্তিযুদ্ধের সময় সৈন্য হিসেবে যোগদান করেছ

িল, কিন্তু সে কখনও ফিরে আসেনি। ছোট ভাই তার পিতা

মহাশয়ের চাপে তার স্বামী হিসেবে ঘোষণা করে একজন প

্রবাসী মহিলার সাথে বিয়ে করে। পিতা তাকে মুক্তিযু

দ্ধের ঋণ বহন করতে বাধ্য করে, বলে দিয়ে যে তার ছে

লে যদি সেই বিয়ে বাতিল করে তবে সে কখনও পিতার সাম

নে দাঁড়াবে না।

গোপালপুরের শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্ক থাকা কোনও প্রতি

ষ্ঠান ছিল না, আর বেকারত্ব ছিল সাধারণ ব্যাপার। ছো

ট ভাই একটি সরকারি কার্যালয়ে কাজ করত, কিন্তু তার

মাসিক বেতন খুব কম ছিল। তিনি প্রবাসী মহিলার সাথে

বিয়ে করার পর থেকে আর কখনও তার পরিবারের কাছে ফি

রে যায়নি। তার মায়ের মৃত্যু হয়েছিল তখন, যখন তি

নি বিয়ে করেছিলেন।

তার পিতা তার ছেলেকে সামাজিক দায় বহন করতে বাধ্য

করে এবং তার পরিবার থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দ

েয়। ছোট ভাই তার স্ত্রীর সাথে একটি ছোট বাড়ি কিন

ে তার নিজের জীবন বাঁচায়, কিন্তু তার মন কখনও মুক

্ত হয় না। মুক্তিযুদ্ধের ঋণ তার জীবনে একটি ছায়া

হিসেবে থেকে যায়।

গোপালপুরের মেলানকোলিক বাতাসে একটি নদী পার হওয়া

স্বপ্ন ছিল তার, কিন্তু সে স্বপ্ন কখনও পূরণ করতে

পারেনি। তার জীবন শিক্ষা ও বেকারত্বের বাধার মধ্যে

সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। তিনি একজন রক্ষণশীল পিতার কা

ছে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যে তার ছেলেকে সামাজিক দা

য় বহন করতে বাধ্য করে এবং তার মনের মধ্যে সেই ঋণ

চিরতরে জড়িত থাকে।