শীতকালীন রাতে একটি অপরিচিত ঘোড়া কাঠগোড়া গ্রামে

আসে। ঘোড়াটির পিছনে ঝুলছে বিধবা নারী রুবাইয়া খ

ানমের সোনার চাবি। তিনি দুই বছর আগে মৃত হয়েছিলেন

এবং তার উত্তরাধিকার হারিয়েছিল একজন দুর্নীতিবাজ

নেতার হাতে। এই চাবি তার পুরানো বাড়ির চাবি, যেখ

ানে তার মৃত স্বামী এবং তার পুত্রের আস্তরা আছে।

তিনি প্রাচীন কালের একটি মন্দিরের দরজা খুলে দেখেন

যে সেখানে একটি ভূত বাস করছে। তিনি জানেন যে এই ম

ন্দিরটি তার পুরানো উত্তরাধিকারের কেন্দ্র হিসেবে

কাজ করে। ভূতটি তার উত্তরাধিকারের অধিকার দাবি করছ

ে এবং তিনি এই সংগ্রামে প্রবেশ করেন।

দুর্নীতিবাজ নেতা একটি রাজনৈতিক কৌশলে তার নাম বিচ

্ছিন্ন করে রাখে এবং তার বিধবা অবস্থা ব্যবহার করে

তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু রুবাইয়া তার পুরা

নো বাড়ি ফিরে পাওয়ার জন্য মন্দিরের ভূতের সাথে এ

কটি চুক্তি করেন — তিনি ভূতটিকে তার স্বামী ও পুত্

রের আস্তরা হারিয়ে দিবেন এবং ভূতটি তাকে তার উত্ত

রাধিকার ফিরিয়ে দেবে।

রুবাইয়া একটি প্রাচীন রীতি অনুসরণ করে একটি নৃত্য

করেন যাতে ভূতটি তার প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নৃত্যের

সময় তিনি একটি রোমাঞ্চকর আস্তরা খুলে দেখেন যেখা

নে তার মৃত পুত্রের সোনার চাবি আছে। ভূতটি তাকে সা

হায্য করে এবং তিনি তার হারানো উত্তরাধিকার ফিরে প

ান।

রুবাইয়া তার পুরানো বাড়িতে ফিরে আসেন এবং তার পু

ত্রের সোনার চাবি সাথে নিয়ে যান। দুর্নীতিবাজ নেত

া তার হাত থেকে চাবি সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে কিন

্তু ভূতটি তার পথে বাধা দেয়। তিনি পরাজিত হন এবং

তার দুর্নীতি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রুবাইয়া তার প

ুরানো বাড়ি ও আস্তরার সাথে তার জীবন পুনরুদ্ধার ক

রেন।