বাংলাদেশের প্রাচীন একটি গ্রামে, জমিদার মোহাম্মদ
খান তার বাড়ির জমি এবং গৃহস্থালির শক্তি দিয়ে গ্
রামের মানুষকে চাপ দেয়। তার কাছে একটি পুরানো ভূত
ের গল্প আছে—একটি ভূত যা তার পূর্বপুরুষের সময় থে
কে তার পরিবারের উপর আতঙ্ক ছড়িয়ে রেখেছে। তিনি ভ
ূতের বিরুদ্ধে একটি পুরো কুলিন পরিবার নিয়ে সাজিয
়েছেন যারা ভূতের আতঙ্ক ঘুচিয়ে দেওয়ার জন্য প্রত
িশোধ নিতে চায়।
গ্রামের এক নারী, শামসুন্নাহারা, জমিদারের সাথে কো
নো সম্পর্ক না থাকার পরেও তার জমি আর পরিবার জমিদা
রের হাতে চলে যায়। তিনি ভূতের সত্য জানেন এবং জমি
দারের অতীতের সত্য উন্মোচন করার জন্য তার প্রতিশোধ
নিতে চান। তিনি গ্রামের এক পুরোনো পিরের কাছে ভূত
ের সাথে দেখা করেন এবং জমিদারের বংশধরদের পতনের পথ
সৃষ্টি করেন।
এক রাতে জমিদারের বাড়িতে ভূত দেখা যায় এবং জমিদা
রের পরিবারের মধ্যে ঘৃণা এবং সন্দেহ ছড়িয়ে পড়ে।
শামসুন্নাহারা জমিদারের পুরানো গুপ্ত সংগ্রহ প্রক
াশ করেন যা তার অতীতের ভূতের সাথে তার সম্পর্ক খুল
ে দেয়। জমিদারের পরিবার একে অপরের সাথে সংঘর্ষ শু
রু করে এবং ভূত তাদের মধ্যে আরও ভাঙন সৃষ্টি করে।
অবশেষে জমিদারের বাড়ি ভূতের হাতে চলে যায় এবং তা
র পরিবারের পতন স্থায়ী হয়ে ওঠে। শামসুন্নাহারা জ
মি ফিরিয়ে পায় এবং নতুন করে জীবন শুরু করে। ভূত
গ্রামের মানুষের মধ্যে একটি ভয় ছড়িয়ে রাখে কিন্
তু তার সাথে একটি সত্য ঘটনার সাথে সাথে গ্রামের মা
নুষ আবার স্বাধীন হয়ে ওঠে।
গ্রামের ভূত এখন একটি কাহিনী হয়ে যায় যা মুক্তিয
ুদ্ধের সাথে জড়িত এবং জমিদারি ব্যবস্থার পতন ঘটায
়। এটি হৃদয়বিদারক এবং একটি গ্রামীণ জীবনের সত্য
ঘটনা যা পরিবারের মধ্যে ঝুঁকি এবং প্রেমের মধ্যে স
ংঘর্ষ ঘটায়।


