বাংলাদেশের একটি ছোট গ্রামে, মামা হাবিবুর রহমান ত

ার ছোট ছেলে মোস্তফা কে ঢাকায় শিক্ষা দেওয়ার জন্

য সারা জীবন কষ্ট করেছিল। তার স্ত্রী ফাতিমা তখন গ

ৃহস্থ জীবনে খালি হাতে বসে থাকত না, সবসময় তিনি স

ামাজিক সেবা কাজে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু শিক্ষা ও বে

কারত্বের চাপে ঘরে মন কেটে গেল। মোস্তফা বিশ্ববিদ্

যালয়ে অস্থায়ী চাকরি করছিল, কিন্তু বাড়ির খরচ ত

ার পকেট থেকে খালি হয়ে যাচ্ছিল।

ফাতিমা তখন বাড়ির পুরো ক্ষমতা নিয়েছিলেন, কিন্তু

তার ছোট বোন রানু ক্রমে তার মামা বাবুর সাথে ঘনিষ

্ঠ হয়ে উঠেছিল। পারিবারিক ষড়যন্ত্র চালাচ্ছিল। ত

ারা মোস্তফাকে বাড়ি থেকে বাইরে চাকরি খুঁজতে বাধ্

য করছিল। ফাতিমা বুঝতে পেরেছিলেন যে ঘরে কোনও বাস্

তব আশা নেই, শুধু তার মামা বাবু ও ছোট বোনের ষড়যন

্ত্র থাকছে।

তিনি একদিন বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন। তার পুরো জীবন

ছিল শিক্ষা ও বেকারত্বের প্রতি সংগ্রাম, কিন্তু পা

রিবারিক ষড়যন্ত্র তার সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছিল।

তিনি স্মৃতিকথার ভিতরে পড়ে গেলেন, কারণ তার জীবন

এখন সেই স্মৃতিকথার চাপে বাঁধা ছিল। তার মন বিষণ্

ণ হয়ে গেল, কারণ তিনি জানতেন যে তার পুরুষ শক্তি

এখন বাড়িতে কোনও ক্ষমতা রাখে না।

তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে একটি সাম

াজিক কাজে যুক্ত হয়েছিলেন, যেখানে তিনি আবার শিক্

ষা ও বেকারত্বের প্রতি সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। কিন

্তু তার মন কখনও আর স্বাভাবিক হয়নি — পারিবারিক ষ

ড়যন্ত্র তাকে স্মৃতিকথার ভিতরে আটকে দিয়েছিল। তা

র জীবন এখন বিষণ্ণ হয়ে গেছে, কারণ তিনি বুঝতে পের

েছিলেন যে তার পুরুষ শক্তি বাড়িতে কোনও মূল্য রাখ

ে না।