ফেরিওয়ালা মোহাম্মদ বাহাদুর চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায
় আসে। তার জীবনে এক শুধুমাত্র স্মৃতিকথা ছিল—বাড়
ির ছেলে আবদুল কালাম যে সময়ে তাকে ছেড়ে চলে গেছি
ল। সে প্রেম করেছিল কিন্তু পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া হ
য়েছিল, আর তখন তিনি চলে গিয়েছিলেন। আবদুল কালাম
এখন ঢাকার একটি বাড়িতে বসে রয়েছেন, যেখানে তার প
ুরনো প্রেমিকার সন্ধান পাওয়া যাবে বলে মনে করা হয
়।
বাহাদুর তার বাড়িতে ফিরে আসার পর খুঁজতে শুরু করে
তার পুরনো প্রেমিকার চিহ্ন। তার খোঁজে খুঁজে তিনি
আবিষ্কার করেন যে তার প্রেমিকা এখন বাড়ির ভাইয়ে
র সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেছে। সে নাম হামিদা বেগম বলে
পরিচিত। তার মামা আবদুল কালাম বাহাদুরের সঙ্গে দীর
্ঘ সময় ধরে একটি সংঘাত চালাচ্ছিল। তিনি তার বাড়ি
র জমি নষ্ট করে দিয়েছিলেন এবং তার পরিবারকে ধোঁকা
দিয়েছিলেন।
বাহাদুর তার পুরনো প্রেমের সন্ধানে চলতে থাকেন এবং
তিনি আবিষ্কার করেন যে তার প্রেমিকা এখন তার বাড়
ির সদস্যদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত। তিনি তার পুরনো প
্রেমের জন্য একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ পরিকল্পনা করে
ন। তিনি বাড়ির জমি পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি সংঘ
াতপূর্ণ রাজনৈতিক প্রকল্প চালান।
আবদুল কালাম এই প্রকল্পে জড়িত হয়ে পড়েন এবং তার
পুরনো প্রেমের মধ্যে তার সংঘাত বৃদ্ধি পায়। বাহা
দুর তার পুরনো প্রেমিকাকে ছাড়া পাওয়ার জন্য সংঘা
তপূর্ণ প্রতিশোধ করে থাকেন। তিনি বাড়ির জমি পুনরু
দ্ধার করে এবং তার পুরনো প্রেমিকাকে তার নিজের পাশ
ে আনেন। তার প্রেমের প্রতিশোধ সফল হয় এবং সেই সঙ্
গে তিনি তার পরিবারের সঙ্গে একটি সংঘাতপূর্ণ প্রতি
শোধ পরিকল্পনা সফল করে তোলেন।


