ঢাকার পূর্ব প্রান্তে একটি বিধবা মহিলা তার ছোট ঘর

ে বসে থাকে। তার নাম রাজশ্রী। তার স্বামী মুক্তিযু

দ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। তার পুত্র বাংলাদেশের রাজনৈত

িক জীবনে একজন দুর্নীতিবাজ নেতা হয়ে উঠেছে। তার ন

াম মুহম্মদ আজাদ। তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শহর নির

্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন — একটি শহর যেখানে

প্রবাসী প্রেম, বিধবা নারী ও জমিদারি উত্তরাধিকার

একসঙ্গে মিশে যাবে।

রাজশ্রীর ছোট ভাই একটি পুরান জমিদারি বাড়ি পেয়েছ

িল একটি কৃষকের কাছ থেকে। তিনি মুহম্মদ আজাদকে সেই

জমিদারি উত্তরাধিকার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। আ

জাদ তা করতে চায় না — কারণ তিনি জানেন যে সে জমিদ

ারি একটি প্রবাসী প্রেমের সাথে জড়িত। রাজশ্রী তখন

আজাদের সাথে পুনর্বিবাহ করতে চান, যাতে তিনি তার

ভাইয়ের জমিদারি উত্তরাধিকার নিয়ে আসতে পারেন।

আজাদ তার দুর্নীতি বাড়িতে রাজশ্রীকে নিয়ে আসেন।

তার নতুন শহরের ভবিষ্যৎ তার প্রকল্পে প্রবাসী প্রে

ম ও জমিদারি উত্তরাধিকার একত্রে ব্যবহার করা হবে।

রাজশ্রী এটি বুঝতে পারেন না, কিন্তু তিনি তার স্বা

মীর জন্য তার প্রাণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ভবিষ্যৎ শহরের মাটি এখন কৃষকদের মালিকানা হবে না —

এটি আজাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে আ

সবে। রাজশ্রী তার ভাইয়ের জমিদারি উত্তরাধিকার বুঝ

তে পারেন না, কিন্তু তিনি একটি রহস্যময় প্রেমে নি

জেকে খুঁজে পান। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধের গল্প — এক

টি গ্রামীণ জীবন থেকে ভবিষ্যৎ শহরে উঠে আসা গল্প।

আজাদ রাজশ্রীর পুনর্বিবাহ করেন কিন্তু সেটি একটি অ

পরাধ ও শক্তি বিনিময়ের প্রতীক হয়ে উঠে। ভবিষ্যৎ

শহর এখন আজাদের দুর্নীতি ও জমিদারি উত্তরাধিকারের

কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যায়। রাজশ্রী এখন একটি বিধবা

মহিলা হিসেবে সেই শহরের একটি নীরব চাঁদ হয়ে থাকেন

— একটি রহস্যময় প্রেমের অবশেষ।