ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে, ঢাকার একটি পুরানো ঘরে অত

ীতের চিঠি খুঁজে পাওয়া হয়। চিঠিটি ১৯৭১ সালে লেখ

া ছিল, আর লেখক ছিলেন একজন বিধবা নারী — জননী কাজল

। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর পুত্রক

ে হারিয়েছিলেন। চিঠিটি পরে একজন পুরুষ হাতে পায়,

যিনি সেই সময় ঢাকার একটি গুপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্

মচারী ছিলেন।

চিঠিটি একটি ভবিষ্যৎ দেখায়, এক সময় যখন সামাজিক

কলঙ্ক একটি আধুনিক সমাজের সাথে সংঘর্ষ করবে। সেই ভ

বিষ্যতে মানুষের মনে আসবে বিধবা নারীদের সম্পর্কে

কুসংস্কার এবং সেই সাথে একটি গুপ্ত প্রতিষ্ঠান তৈর

ি হবে যা সামাজিক কলঙ্ক দূর করার জন্য কাজ করবে।

পুরুষটি চিঠিটি পড়ে দেখে যে তিনি সেই ভবিষ্যতের এ

কটি অংশ হবেন। তিনি তখন নিজেকে বুঝতে পারেন যে তাঁ

র জীবন আর কখনও পুরানো নয়। তিনি একটি রহস্যময় প্

রতিষ্ঠানে যোগ দেন যেখানে তাঁকে অতীতের সাথে একটি

সংযোগ খুঁজে পাওয়া যায়।

তবে প্রতিষ্ঠানটি একটি ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি দ্বারা চ

ালিত হয়, যেখানে সময় একটি বিশেষ ফর্মুলা দ্বারা

বিভক্ত হয়। এই ফর্মুলা সামাজিক কলঙ্ক বা বিধবা না

রীদের মনে থাকা দুঃখ এবং বিচ্ছেদ কমাতে সাহায্য কর

ে। কিন্তু এই প্রযুক্তি কখনও সম্পূর্ণ কাজ করে না,

এটি শুধু কলঙ্কের সম্মুখীন হওয়ার জন্য মানুষের ম

নে একটি সংস্কার বাড়ায়।

আর একদিন, পুরুষটি জননী কাজলের সাথে একটি দৃশ্য দে

খে যেখানে তিনি সময়ের ভিতর দিয়ে এগিয়ে যান এবং

তাঁর পুত্রের কথা জানতে পারেন। তবে সেই সময়ে তিনি

একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নেন — যার ফলে তিনি সামাজিক

কলঙ্ক দূর করার জন্য আপন জীবনকে বলি দেন।

তাঁর কাছে একটি রহস্যময় ভবিষ্যৎ আসে যেখানে বিধবা

নারী এবং পুরুষের মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন হয়,

যা একটি নতুন সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ।