সাত বছর আগে ঢাকার একটি ছোট বাড়িতে মামুন ও তার ব

িধবা মা রহমানী থাকত। রহমানী ছিলেন একজন দেশপ্রেমি

ক মুক্তিযোদ্ধা, যার পরিবার মুক্তিযুদ্ধে ভেঙে গেছ

িল। তার ছেলে মামুন বাইরে প্রবাসে থাকত, যেখানে তি

নি বাংলাদেশের সাথে আর কোনও সম্পর্ক বাকি ছিল না।

এক রাতে রহমানী নদীর ধারে তার বাড়ির সামনে দাঁড়ি

য়ে আছিলেন, তার হাতে একটি ছোট ফোটা বই। তিনি জানত

েন, তার বাড়ি নদীর জলে চলে যাবে। কারণ তার ছেলে ম

ামুন তার বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছিল, যাতে প্রবাসে

তার জীবন সুসংগত হয়।

রহমানী জানতেন না যে তার ছেলে তার বাড়ি বিক্রি কর

ার কথা কখনও তাকে বলেনি। তার মনে ছিল তার বাড়ি নদ

ীর জলে চলে যাবে না, কারণ তিনি তার আত্মত্যাগের সা

থে এই বাড়িকে চিরকালের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছিলে

ন।

তার সাথে কথা বলা হয়নি। কারণ তিনি শুধু মামুনকে এ

কটি বাড়ি বিক্রি করার জন্য প্রবাসে পাঠিয়ে দিয়ে

ছিলেন, যাতে তিনি তার পরিবারের সাথে সম্পর্ক ছাড়ি

য়ে দিতে পারেন। কিন্তু এক দিন মামুন ফিরে আসেন না

। তার স্থান খালি থাকে, আর তার বাড়ি নদীর জলে চলে

যায়।

রহমানী জানতেন যে এটা তার ছেলের করা কাজ ছিল। কিন্

তু তিনি জানতেন না যে তার ছেলে কোনও বাড়ি বিক্রি

করেনি। কারণ মামুন তার বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছিল

তার স্ত্রীর সাথে প্রবাসে যাওয়ার জন্য, যেখানে তি

নি তার বাড়ি থেকে কখনও ফিরে আসবেন না।

রহমানী বাড়ি বিক্রি করার জন্য কখনও কোনও কথা বলেন

ি। কারণ তিনি জানতেন যে এটা তার ছেলের করা কাজ ছিল

। কিন্তু এখন তার বাড়ি নদীর জলে চলে গেছে, আর তিন

ি একা বাকি আছেন।

তিনি জানতেন যে এটা তার ছেলের করা কাজ ছিল, কিন্তু

এখন তিনি সেই বাড়ি হারিয়েছেন। তিনি আর কোনও বাড

়ি বাকি রেখে দিতে পারেন না। কারণ তিনি জানতেন যে

এটা তার ছেলের করা কাজ ছিল, আর তিনি তার বাড়ি বিক

্রি করে দিয়েছিলেন যাতে তিনি তার পরিবারের সাথে স

ম্পর্ক ছাড়িয়ে দিতে পারেন।

আর এখন তিনি নদীর জলে দাঁড়িয়ে থাকেন, যেখানে তার

বাড়ি চলে গেছে। তিনি জানতেন যে এটা তার ছেলের কর

া কাজ ছিল, কিন্তু এখন তিনি সেই বাড়ি হারিয়েছেন।

কারণ তিনি জানতেন যে এটা তার ছেলের করা কাজ ছিল,

আর তিনি তার বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছিলেন যাতে তিন

ি তার পরিবারের সাথে সম্পর্ক ছাড়িয়ে দিতে পারেন।