বাংলাদেশের ঢাকায় একটি পরিবারের মধ্যে শহুরে একাক

ীত্ব ঝাঁঝরা খুঁজে পাওয়া যায় না। মামা মুহাম্মদ

কাজী তার বোন রূপা ও তার প্রবাসী স্বামী সালেহ উদ্

দিনের বিরুদ্ধে বিরাম দিয়েছিল যখন তিনি বিয়ের কথ

া শুনেছিলেন। সালেহ ছিলেন কানাডা থেকে ফিরে আসা সফ

ল ইঞ্জিনিয়ার, কিন্তু তার অভ্যাস ছিল নৈতিক প্রকৃ

তি থেকে দূরে।

রূপা একটি শহরের মধ্যে একাকিনী হয়ে পড়ে, কারণ সা

লেহ একদিন তার কুলীন ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে অর্থ চ

ুরি করে ফেলে এবং পরে সেই টাকা নিয়ে মামা মুহাম্ম

দের সাথে সংঘর্ষ হয়। রূপা তখন সালেহের কাছে বলে য

ায়, "আমি তোমার সাথে থাকব না, যদি আমার ভাইয়ের স

ম্মান নষ্ট হয়।" সালেহ তখন বলে, "আমার

জীবনে এখন

আর কোনো বাধা নেই।"

একদিন রূপা ঘরে ফিরে দেখে যে তার সালেহ স্বামী তার

সাথে একটি নারীকে বাড়িতে আনছে। রূপা সেই নারীকে

দেখে চুপ করে যায়। সালেহ বলে, "ও আমার কানাডার স্

ত্রী, আমি তাকে বিয়ে করেছি।" রূপা সেই কথায় কাঁদ

তে শুরু করে এবং তখন মামা মুহাম্মদ তাকে তার বাড়ি

তে ফিরে আসতে বলেন।

রূপা তার মামার কাছে ফিরে আসে এবং তার জীবন থেকে স

ালেহ ও তার প্রবাসী সংস্কৃতি সম্পূর্ণ বাদ দেয়। ত

ার ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতা এবং তার স্বামীর বিশ্বাস

ঘাতকতা তাকে শহরের মধ্যে একাকিনী করে তোলে। তবে সে

এখন নিজের পরিবার এবং নিজের মুক্তিযুদ্ধের গল্পগু

লো সামনে রেখে আবার একটি নতুন জীবন শুরু করে।

এই সংঘাতপূর্ণ সময়ে রূপা শহুরে একাকীত্বের সামনে

নিজেকে সংঘর্ষ করে ফেলে এবং তার জীবন এখন আর সালেহ

বা তার প্রবাসী প্রেমের সাথে জড়িত নয়। সে তার প

রিবার এবং তার মুক্তিযুদ্ধের গল্প সামনে রেখে একটি

নতুন জীবন শুরু করে।