তিন ভাইয়ের মধ্যে কেবল মোহাম্মদ আজাদ ঢাকার একটি

গোপন চাকরি করে। তার পিতা রফিকুল ইসলাম একজন রক্ষণ

শীল লোক, যার মনে কখনও কোনও প্রবাসী প্রেম বা মুক্

তিযুদ্ধের গল্প জায়গা করতে পারে না। তিনি তার ছোট

ছেলে আজাদকে কোনও বাইরের কথা শুনতে দেন না, আর এক

দিন ঘরে একটি অপরিচিত ভূত আসে যার নাম মুন্না — ক

াল্পনিক জগতের একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে যে কোনও ব

াড়িতে যদি একটি ভূত আসে, তবে সে তার মালিকানা অধি

কার দাবি করে।

আজাদ তখন মুন্নার সাথে বন্ধুত্ব করে যে কাল্পনিক জ

গতের একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে মৃত ব্যক্তির আত্মা

র অধিকার স্থানান্তরিত হয়। এই অধিকার পরিবারের কা

ছে হারানো উত্তরাধিকার হিসাবে বিবেচিত হয়। রফিকুল

ইসলাম এই ঘটনা জানতে পারে এবং তিনি মুন্নার সাথে

ঝগড়া করেন যে তিনি তার ছেলের জীবনে এই অপরিচিত ভূ

তের জন্ম দেওয়া কখনও চান নি। এই ঝগড়া সামাজিক কল

ঙ্ক বৃদ্ধি করে যখন পুরো গ্রাম এই ঘটনার খবর শুনে

পরিবারের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতে শুরু করে।

আজাদ মুন্নার সাথে একটি মিশনে বাহির হয় যেখানে তা

রা কাল্পনিক জগতের একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সামাজ

িক কলঙ্ক ও হারানো উত্তরাধিকারের মধ্যে পরিবারের স

ম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই মিশনে তাদে

র জীবনে একটি অপরিচিত অপরাধের মুখোমুখি হতে হয় যা

তাদের সম্পর্ক এবং পরিবারের সামাজিক অবস্থান দুইট

িকেই বিপর্যস্ত করে দেয়।

অবশেষে আজাদ মুন্নাকে নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ

করে যে সামাজিক কলঙ্ক ও হারানো উত্তরাধিকার পরিবার

ের জীবনে একটি নতুন দিগন্ত খুলে দেয়। রফিকুল ইসলা

ম তার ছেলেকে বুঝতে পারে যে তিনি কখনও কোনও ভূত নয

়, তিনি তার নিজের ভূত ছাড়া কখনও স্বাধীন হতে পার

বেন না। এই মুহূর্তে তিনি হৃদয়বিদারক একটি সিদ্ধা

ন্ত গ্রহণ করেন যে তিনি তার ছেলেকে পরিবারের কাছে

হারানো উত্তরাধিকার ও সামাজিক কলঙ্ক থেকে মুক্ত কর

তে চান।