ঢাকার একটি পুরনো ঘরে জন্মেছিল সুমনা, ত্যাগী মা।
তার পুরুষ ছেলে কাল্পনিক বিশ্বে ফিরে আসে একটি ভূত
ের চোর হিসেবে আর তার জন্মদিনে একটি প্রতিমা ভেঙে
পড়ে। তখন সুমনার শহুরে একাকীত্ব শুরু হয় তার পুর
ুষ ছেলে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর।
সে দিন থেকে সুমনা প্রতিদিন ছাদে উঠে আর চোরের অনু
শোচনা দেখে বসে থাকে। ভূত হিসেবে ফিরে আসা ছেলে সু
মনার কাছে কোনও কথা বলে না, কিন্তু তার চোখে সে কো
নও ক্ষমা খুঁজে পায় না। তার ছাদে একটি আলো জ্বলে
থাকে যা সুমনার সাথে তার পুরুষ ছেলের সম্পর্ক প্রত
িফলিত করে।
একদিন সুমনার মাথার ওপর ভূত ছেলে এসে দাঁড়ায় আর
তাকে বলে যে সে সত্যিই ভূত হয়েছে কারণ সে বাড়ি থ
েকে চলে গেছে কারণ সে কোনও পাপ করেছে। সুমনা তখন ত
ার ছেলের কাছে ক্ষমা চায় কিন্তু ভূত কোনও কথা বলে
না। সে কেবল তার মাথার ওপর হাত দিয়ে দেখায় যে স
ে ক্ষমা করেছে কিন্তু সুমনার হৃদয় কখনও তা কবুল ক
রে না।
তখন সুমনার বিদ্রূপাত্মক মন বিদ্রূপ করে আর তার ছা
দের আলো নিভে যায়। সুমনার শহুরে একাকীত্ব আর চোরে
র অনুশোচনা তখন একসাথে ঝড় খেয়ে পড়ে। তার ছেলে ত
খন আর ফিরে আসে না, কিন্তু তার ভূতের আকৃতি সুমনার
কাছে ক্ষমা চায় আর সে তা কবুল করে না। সুমনার শে
ষ দিনগুলো সেই ছাদে কাটে যেখানে তার পুরুষ ছেলে বা
ড়ি থেকে চলে গেছে আর তার শহুরে একাকীত্ব শেষ হয়
না।


