মুক্তিযুদ্ধের পর ঢাকার একটি গ্রামে শোভা একজন পরি
ত্যক্তা স্ত্রী। তার স্বামী প্রবাসে গিয়ে তার সাথ
ে অস্থায়ী বিচ্ছেদ করেছে। তার মা সবসময় কাঁদতেন
তার নিষ্ঠুর স্বামী ও বাচ্চাদের জন্য, যাদের কথা শ
োভা অনেক সময় ভাবতেন। গ্রামে একটি ভূত চলছিল, যার
নাম হামিদ ছিল। সে শোভার স্বামীর মৃত চৈতন্য ফিরি
য়ে আনতে চায়। শোভা তাকে দেখতে চায় না, কিন্তু ত
ার মা একদিন ভূতের কাছে পড়ে যান।
গ্রামবাসী তাকে উদ্ধার করতে চায় না, কারণ ভূত তাদ
ের বিশ্বাসের প্রতি কোনও সম্মান দেখায় না। শোভা ত
খন মায়ের কান্নার মধ্যে দিয়ে সামাজিক কলঙ্ক ঘুচা
নোর পথ খুঁজতে থাকে। সে একটি পুরানো পুস্তক খুঁজে
পায়, যেখানে বলা হয়েছে যে ভূত মানুষের মনের আবেগ
বুঝতে পারে এবং সে সেই আবেগ ব্যবহার করে মানুষকে
ক্ষমা করতে বাধ্য করতে পারে।
শোভা ভূতের কাছে যায়, সে তাকে বলে যে সে তার স্বা
মীকে মুক্ত করতে চায় না, বরং তার মায়ের কান্না থ
েকে মুক্তি চায়। ভূত তখন তার প্রকৃতি পরিবর্তন কর
ে। সে শোভাকে একটি নদীর ধারে নিয়ে যায়, যেখানে ত
ার মা একটি চর বাঁধে। শোভা তার মায়ের কান্নাকে নদ
ীতে ফেলে দেয়, যেখানে ভূত এটি ধুয়ে ফেলে এবং একট
ি আশাবাদী মুহূর্ত তৈরি করে।
এখন শোভা একজন পুরুষ হয়ে ওঠে না, কিন্তু তার মায়
ের কান্না থেকে মুক্ত হয়ে যায়। ভূত এখন সেই পুরা
নো চর থেকে চলে যায়, কিন্তু শোভার মনে তার আশাবাদ
ী মুহূর্ত চিরদিন থাকে।


