পানিপথের গ্রামে জন্মগ্রহণকারী মোস্তফা ঢাকায় জমি
কেনার লোভে বাংলাদেশ ছেড়ে সিঙ্গাপুরে চলে যায়।
তার স্ত্রী আফরোজ ও দুই সন্তান মুক্তিযুদ্ধের পর থ
েকে জমি ফিরে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল। জমি কেন
ার খরচ ভাগ করে নিয়ে মোস্তফা ঘরে ফিরে এসে আফরোজক
ে একটি বিল দেখিয়ে দেয়— জমি ফিরে পাওয়ার জন্য ব
াড়িতে একটি সুষ্ঠু উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়া দরকার, যা
তে সাত পুরুষ বংশধর সম্মতি দিয়ে জমি পুনঃপ্রাপ্তি
র প্রমাণ দিতে হবে।
আফরোজ স্থানীয় পীরের কাছে যায়, যিনি একটি প্রাচী
ন ধর্মীয় অনুশাসন বলে জানান যে জমি বিরোধে সংশ্লি
ষ্ট পুরুষদের আধ্যাত্মিক পরিচয় দরকার। মোস্তফা তখ
ন সিঙ্গাপুরে প্রবাসী হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছিলেন,
কিন্তু তার পিতা ও দুই ভাই মৃত হয়ে গেছেন, এবং প
রিবারের মধ্যে একজন সংশ্লিষ্ট পুরুষ বাকি রয়েছেন।
আফরোজ মোস্তফার স্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন প্রবা
সী স্বামী হিসেবে পুরুষদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখ
তে চায় না। তিনি মোস্তফার কাছে জমি পুনঃপ্রাপ্তির
বিষয়টি উল্লেখ করেন, কিন্তু মোস্তফা জানায় যে স
ে সিঙ্গাপুরে পরিবার চালাচ্ছে এবং জমি ফিরে পাওয়া
সম্ভব নয়।
এই অস্বীকৃতি জমি বিরোধের পরিস্থিতি আরও জটিল করে
তোলে। পীর তখন একটি প্রাচীন ধর্মীয় অনুশাসন অনুযা
য়ী একটি মন্ত্র দিয়ে জমি পুনঃপ্রাপ্তির জন্য অনু
ষ্ঠান করার পরামর্শ দেন, যার মধ্যে জমি বিরোধ সমাধ
ানের জন্য একটি আধ্যাত্মিক সংস্কার প্রয়োজন।
আফরোজ পীরের পরামর্শ অনুসরণ করেন এবং জমি ফিরে পাও
য়ার জন্য প্রাচীন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন। মোস্তফ
া সেখানে এসে প্রতিবাদ করেন, কিন্তু আফরোজ তার পরি
বারের মধ্যে একজন পুরুষ বংশধর হিসেবে স্বয়ং প্রমা
ণ করেন যে তিনি পরিবারের জমি পুনঃপ্রাপ্তির জন্য অ
ধিকারী।
জমি পুনঃপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া শেষ হয়, এবং জমি আফ
রোজের নামে স্থায়ী হয়ে যায়। মোস্তফা তখন প্রবাস
ী হিসেবে পরিবারের জমি পুনঃপ্রাপ্তির বিষয়ে সম্পূ
র্ণ আস্থা হারান। আফরোজ তখন তার পরিবারের প্রতি জম
ি বিরোধ সমাধানের জন্য আধ্যাত্মিক মূল্য প্রমাণ কর
েন এবং জমি ফিরে পাওয়ার জন্য একটি আধ্যাত্মিক সংস
্কার করেন।
পরিবার এখন জমি পুনঃপ্রাপ্তির জন্য স্থায়ী হয়ে য
ায়, এবং মোস্তফা তার পরিবারের প্রতি জমি বিরোধ সম
াধানের জন্য একটি সামাজিক মূল্য প্রমাণ করেন। আফরো
জ তখন জমি ফিরে পাওয়ার জন্য জনসাধারণের কাছে আধ্য
াত্মিক মূল্য প্রমাণ করেন, এবং জমি পুনঃপ্রাপ্তির
জন্য একটি সামাজিক মূল্য বৃদ্ধি করেন।


