ডাক্তার ফাহিমা খান এক বছর ধরে তার ছেলে রিজওয়ানে
র অস্ত্রোপচারের খরচ দেখাচ্ছিলেন। সে কানাডা থেকে
সঠিক ভাবে টাকা পাঠাচ্ছিল না, কারণ তার স্ত্রী ও ছ
েলে তাকে অপরাধী বলে চিহ্নিত করেছিল। ফাহিমা বাড়ি
তে বসে এই সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, কারণ তা
র স্বামী মারা গেছেন এবং তিনি এখন একাই বাড়ির সব
কিছু চালাচ্ছেন। তার কাছে কোনও সহায়তা ছিল না, কি
ন্তু তিনি কখনও কাউকে কথা বলতে পারেন নি।
তার বাড়ির পাশের মানুষ তাকে বাড়ি থেকে বাইরে করত
ে শুরু করেছিল। তাদের বলা হতো, ফাহিমা তার ছেলে সম
্পর্কে সত্য কথা বলে না, কারণ তিনি তার প্রবাসী প্
রেমের বিষয়টি লুকিয়ে রাখছেন। এই কথা শুনে তার বা
ড়ির মানুষ তাকে অপরাধী বলে চিহ্নিত করেছিল। কিন্ত
ু ফাহিমা জানতেন, তার ছেলে একজন ভালো মানুষ, এবং ত
িনি কখনও কারও দুঃখে চুপ থাকতে পারবেন না।
তিনি তার ছেলের সাথে একটি বার্তা লিখে পাঠান, যেখা
নে তিনি বলেছিলেন যে তিনি তার প্রবাসী প্রেমের বিষ
য়টি গোপন করে রাখছেন না, কারণ তিনি তার ছেলে জীবন
ে কোনও দুঃখ দেখতে চান না। রিজওয়ান কানাডা থেকে এ
কটি বার্তা পায়, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে তিনি তা
র মা এবং বাড়ির কথা বুঝতে পারছেন না, কিন্তু তিনি
তার মা সম্পর্কে দুঃখ করছেন।
ফাহিমা বাড়িতে তার ছেলের জন্য একটি ছোট চাকরি খুঁ
জে পান, যেখানে তিনি একজন মেডিকেল সহায় হিসাবে কা
জ করেন। এই চাকরি তার ছেলের অস্ত্রোপচারের খরচ দেখ
ানো সম্ভব করে তোলে। তিনি তার বাড়ির মানুষদের বলে
ন যে তিনি এখন আর কোনও বয়কটে আবদ্ধ হবেন না, কারণ
তিনি তার ছেলের জন্য সব কিছু করবেন।
ফাহিমা এখন আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন, কারণ তিনি জানত
েন যে তার ছেলে ভালো হবে, এবং তিনি তার প্রবাসী জী
বনের দুঃখ বাদ দিয়ে নিজের জীবনের আশা নিয়ে চলতে
পারবেন।


