বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ঢাকার একটি চাকর

ির ঘরে জন্ম নেয়া আব্দুল হামিদ ছিলেন একজন দেশপ্র

েমিক মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মা রফিকা ছিলেন একজন অপরা

ধী বাঙালি বিধবা, যিনি প্রায় তাঁর পুরুষ সাংস্কৃত

িক ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহন করেছিলেন। এ

কদিন তিনি ঘরে ফিরে দেখেন তাঁর ছেলে একটি গোপন রহস

্যের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।

আব্দুল হামিদ তাঁর মায়ের কান্নার সাথে মুক্তিযুদ্

ধের স্মৃতি আবিষ্কার করেন যখন তিনি একটি ভূতের উপন

্যাস খুঁজে পান, যা তাঁর মায়ের কাছে একটি গুপ্ত গ

্রামীণ জীবন সম্পর্কে কথা বলে। এই গ্রাম ছিল মুক্ত

িযুদ্ধের একটি অপরিচিত শহীদ দলের অংশ, যাদের কথা ই

তিহাস বলে না।

তিনি নিজেকে একটি জমিদারি কাহিনির মধ্যে প্রবেশ কর

েন যখন তিনি তাঁর মায়ের কান্নার সাথে সেই গ্রামে

যান। সেখানে তিনি একটি রহস্যময় গুপ্ত কথা শুনেন —

একটি প্রবাসী প্রেম যা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সঙ্গ

ে করে নিয়ে গেছে। তিনি এই রহস্যকে নিজের সাংস্কৃত

িক ঐতিহ্য সঙ্গে যুক্ত করেন এবং সেই গ্রামে মুক্তি

যুদ্ধের গল্প পুনরুজ্জীবিত করেন।

এই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজের মায়ের কান্নার সাথে ম

ুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহন করে একটি রহস্যময় জীবনের

সম্পর্ক খুঁজে পান যা তাঁর জীবনের নতুন অর্থ দেয়

। এই সম্পর্কটি তাঁর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মুক্তি

যুদ্ধের স্মৃতি দুইটিকে এক করে তোলে।

এই রহস্য তাঁকে একটি নতুন সম্পর্কে নিয়ে যায় যেখ

ানে তিনি নিজের মায়ের কান্না থেকে একটি মুক্তিযুদ

্ধের স্মৃতি বহন করে একটি স্বাধীন জীবন খুঁজে পান।