সুরমা নদীর তীরে বসা গ্রামে একটি ছোট মুদি দোকান র
য়েছে। দোকানের মালিক শফিক চৌধুরী একজন প্রবাসী হি
সেবে ঢাকায় ফিরে এসেছিল। তার স্ত্রী রুবাইয়া পরি
ত্যক্তা স্ত্রী হিসেবে জীবন কাটিয়েছিল পরিবারের প
্রতি আত্মীয়তা ও বাংলা সংস্কৃতির মধ্যে বিভক্ত হয
়ে। শফিক একদিন দোকানে অপেক্ষা করছিল এবং এক নদী ভ
াঙনের দুঃখে মৃত্যুবরণ করে। তার মৃত্যুর পর রুবাইয
়া খুঁজতে শুরু করে তার পরিবারের মধ্যে আধ্যাত্মিক
ভুত সম্পর্কে একটি গুপ্ত সত্য।
রুবাইয়া তার স্বামীর মৃত দেহ নদীর তীরে খুঁজে পায
়, যখন সে মনে করে যে সে একটি ভুতের প্রভাবে মৃত্য
ুবরণ করেছে। সে একজন পুরুষ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ
করে, যিনি সংস্কার এবং আধুনিকতার মধ্যে ঝগড়া দেখ
ান। ডাক্তার তাকে বলে যে ভুতগুলি আধ্যাত্মিক মানসি
কতা দ্বারা চালিত হয়, যা আধুনিক বিজ্ঞানের বাইরে
রয়েছে।
রুবাইয়া নদীর তীরে একটি পুরানো মসজিদে যায়, যেখা
নে তার স্বামী পূর্বে নামাজ পড়তেন। সেখানে তাকে এ
কটি ভুত দেখা যায়, যা তার পরিবারের একটি প্রাচীন
গোপন সত্য উন্মোচন করে। ভুত তাকে বলে যে শফিক প্রব
াসী হিসেবে এই গ্রামে ফিরে আসার সময় একটি মুদি দো
কানে কাজ করতেন, যার মালিক ছিল তার স্বামীর সৎ বন্
ধু হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু এই বন্ধু তার স্বামীকে
মৃত্যুবরণ করতে সাহায্য করেছিল কারণ তিনি তার পরিব
ারের সংস্কার ও আধুনিকতার মধ্যে ঝগড়া করতেন।
রুবাইয়া তার পরিবার ও সমাজের সংস্কার এবং আধুনিকত
ার মধ্যে সংঘর্ষ দেখতে শুরু করে। তিনি বুঝতে পারেন
যে এই ভুত তার মানসিক সংঘর্ষ প্রতিফলিত করে। তিনি
সেই ভুতকে বলেন যে তিনি আধুনিকতার পথে চলতে চান,
কিন্তু সংস্কারের মধ্যে বাঁচতে চান। ভুত তাকে বলে
যে তিনি এই সংঘর্ষের মধ্যে বাঁচতে পারবেন না, যদি
তিনি সংস্কার ও আধুনিকতার মধ্যে সম্পূর্ণ পৃথক হন।
রুবাইয়া সেই ভুতকে তার মনের মধ্যে একটি সমাধান খু
ঁজে পান যা তার জীবনে একটি সম্পূর্ণ পরিবর্তন আনে।
তিনি সংস্কার ও আধুনিকতার মধ্যে একটি সামঞ্জস্য খ
ুঁজে পান, যা তার পরিবার ও সমাজের মধ্যে একটি নতুন
আদর্শ তৈরি করে। এই সামঞ্জস্য তার জীবনে একটি নতু
ন আশা আনে এবং তিনি সেই ভুতের সাথে একটি অন্তর্জাল
তৈরি করেন যা তার মনের মধ্যে আধ্যাত্মিক শান্তি এ
নে দেয়।


