মুক্তিযুদ্ধের আগে রাজশাহী জেলার একটি গ্রামে জন্ম
েছিল আফসানা, যার পিতা ছিলেন একজন প্রবাসী চাকরি ক
রা প্রকৌশলী। তার সন্তান সৈয়দ আহসান যখন তিন বছর
বয়সে নিখোঁজ হয়ে যায়, তখন সে ঘরে ফিরে আসা কোনও
সুযোগ দেখা যায় না। আফসানার স্বামী জামাল একজন ব
িশ্বাস করে যে সন্তান হারিয়ে গেছে মুক্তিযুদ্ধের
সময়। কিন্তু আফসানা বিশ্বাস করে যে তার ছেলে জীবি
ত আছে এবং এই বিশ্বাস তাকে একটি আধ্যাত্মিক পথে ঠে
লে দেয়।
আফসানা স্থানীয় একটি পীরের কাছে যায়, যিনি তাকে
বলেন যে তার ছেলে একটি ভূতের সঙ্গে জড়িত। ভূতটি ত
ার পিতার চাকরির সময় মারা যাওয়া একজন সহকর্মীর ছ
িল, যার মৃত্যু জামাল কর্তৃক প্রতিশোধ হিসাবে ঘটে।
আফসানা এই কাহিনী খুঁজে বার করার চেষ্টা করে, কিন
্তু তার চেষ্টা ঘরের মধ্যে নিজের স্বামীর সঙ্গে সং
ঘর্ষে পরিণত হয়।
আফসানা একটি প্রতিশোধের কাহিনী খুঁজে পায় যা তার
ছেলের অনুসন্ধানে সাহায্য করে। সে একটি স্মৃতিচারণ
া শুরু করে যা তার পিতার প্রতিশোধ ও ছেলের অনুসন্ধ
ানের মধ্যে সংযুক্ত করে। তার স্বামী জামাল বিশ্বাস
করে যে তার ছেলে মুক্তিযুদ্ধে মারা গেছে, কিন্তু
আফসানা তার মনে করে যে ছেলে জীবিত আছে এবং তার আধ্
যাত্মিক ভ্রমণ তাকে একটি অপ্রত্যাশিত সত্যে পৌঁছায
়।
একটি আধ্যাত্মিক বিষয় আফসানার জীবনে একটি মূল পরি
বর্তন ঘটায়, যখন সে বুঝতে পারে যে তার ছেলে তার ন
িজের জীবনে সম্ভবত আছে। সে তার পিতার প্রতিশোধ ও ছ
েলের অনুসন্ধানের মধ্যে একটি সংযোগ খুঁজে পায় এবং
তা তার পরিবারের সাথে একটি আধ্যাত্মিক যাত্রা হিস
াবে পরিণত হয়। সে নিজের জীবনে একটি নতুন পরিবর্তন
ঘটায় এবং তার ছেলের প্রতি নতুন আশা জাগায়।


