সাত বছর আগে ঢাকার একটি পুরানো ঘরে অন্ধকার ছিল বল
ে মনে হয়। এখানে একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা, র
াজু মাঝি ছিলেন আত্মসমর্পণের সময় কারাগারে পড়ে য
াওয়া মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন নারী শিক্ষিকা আফরো
জার সাথে একটি গুপ্ত সম্পর্কের জন্য বিখ্যাত ছিলেন
, যার সঙ্গে তার বাড়িতে একটি বিচ্ছেদ ঘটেছিল। আফর
োজা সেই সময় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল এবং তার পর
কখনও ফিরে আসেননি।
আজ এই ঘরে একটি আধ্যাত্মিক বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছ
ে। রাজু মাঝি এখন একটি ভূত হয়ে গেছেন, যার সাথে ত
ার মৃত স্ত্রী আফরোজার আত্মা জড়িত ছিল। তারা একটি
অদৃশ্য শক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল, যা মুক্তি
যুদ্ধের সময় বাঙালি জনগণের মনে একটি ধর্মীয় বিভ্
রান্তি সৃষ্টি করেছিল। এই শক্তি মুক্তিযোদ্ধাদের ম
ধ্যে একটি বিশ্বাস উত্থাপন করেছিল—যে মুক্তিযুদ্ধ
তাদের মুক্তি নয়, বরং একটি ধর্মীয় মুক্তি ছিল।
রাজু মাঝি এখন তার পুরানো ঘরে অবস্থান করেন এবং আফ
রোজার সাথে একটি ক্ষমতার লড়াই চালান। এই লড়াই তা
দের মধ্যে একটি মিথ্যা ধর্মীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি
করেছে, যার কারণে তারা পরস্পরকে ভয় করে এবং বিশ্ব
াস করে না। একদিন তারা একটি মিস্টিক রুচি প্রকাশ ক
রেন যা তাদের মধ্যে একটি বিশ্বাস তৈরি করে—যে তারা
মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি পুরানো ধর্মীয় আদর্শ প্
রতিষ্ঠা করেছিল।
রাজু মাঝি আফরোজার সাথে একটি পুনর্জন্ম লাভ করেন,
যেখানে তারা একটি আধ্যাত্মিক মুক্তি অর্জন করেন। এ
ই মুক্তি তাদের ক্ষমতার লড়াই থেকে মুক্ত করেছে এব
ং তাদের মধ্যে একটি ধর্মীয় বিভ্রান্তি দূর করেছে।
তারা এখন তাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সত্য প্রকাশ
করেন এবং তার সাথে একটি আধ্যাত্মিক সংযোগ প্রতিষ্
ঠা করেন।
এই ঘর আজ আর অন্ধকার নয়, এখন এটি একটি আধ্যাত্মিক
প্রকাশ হয়ে গেছে এবং এটি একটি মুক্তিযোদ্ধা ও তা
র নারী সহযোগীর ক্ষমতার লড়াই থেকে মুক্তি পেয়েছে
।


