ঢাকার একটি বাড়িতে বসে আহমেদ মালিক গ্রামে ফিরে য

াওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি জমিদার পরিবারের শেষ

মাতব্বর ছিলেন, যার বিয়ে কখনও হয়নি এবং তার কথা

গ্রামে অপরাধ বলা হতো। তিনি তার বাবার কাছে একটি

চুক্তি পেলেন — তার জমি ফিরে আসবে যদি তিনি তার মা

য়ের মৃত্যু পরে পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন। এই চুক্

তি ছিল কাল্পনিক বিশ্বের একটি বিধি, যেখানে পরিবার

ের বন্ধন জমিদারি থেকে বেঁচে থাকার সুযোগ দেয়।

আহমেদ মালিক তার প্রবাসী বোন রাশেদা কে খুঁজে পেলে

ন, যিনি ঢাকায় একজন মহিলা নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন।

তিনি আহমেদের প্রতি ঘৃণা করতেন কারণ তিনি তার মায়

ের জন্য অনির্ধারিত বিয়ে করেছিলেন এবং তার পরিবার

ছেড়ে পালিয়ে গেছিলেন। রাশেদা আহমেদকে তার গ্রাম

ে ফিরে যেতে বাধা দিলেন, কারণ তিনি জানতেন যে তার

মায়ের মৃত্যু তার পরিবারের প্রকৃত শক্তি নিয়ে বা

ঁচার কারণ হবে।

আহমেদ মালিক গ্রামে ফিরে এসে তার পরিবার সম্পর্কে

জমিদারি নীতি পরিবর্তন করতে চাইলেন। কিন্তু তার গ্

রামে মেলানকোলিক সত্য তার প্রতি ঘৃণা করতে শুরু কর

লো — তিনি জানতেন যে তার মায়ের মৃত্যু তার জন্য ক

োনো সুযোগ নয়, কিন্তু একটি অসম্ভব বিয়ে এবং জমিদ

ারি বিষয়ে তার নিজের মন তার পরিবার সম্পর্কে নীতি

বদলানোর সুযোগ দিলো।

একটি গ্রামীণ রাজনীতি সভায় আহমেদ মালিক তার মায়ে

র মৃত্যু ঘটনাটি ব্যাখ্যা করলেন, যা তার পরিবারের

প্রকৃত শক্তি নিয়ে বাঁচার কারণ ছিল। তার বিরুদ্ধে

স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে একটি আপত্তি উঠলো — তিন

ি তাদের পরিবারের সামনে মায়ের মৃত্যু ঘটানোর জন্য

অপরাধী। আহমেদ মালিক তার জমিদারি বাঁচানোর জন্য স

েই সভায় তার মায়ের মৃত্যু ঘটানো ঘটনাটি প্রমাণ ক

রতে চাইলেন।

তার বিরুদ্ধে একটি সামাজিক বিচার ঘটলো, কিন্তু আহম

েদ মালিক জানতেন যে তার মায়ের মৃত্যু তার জন্য কো

নো বিয়ে নয়, একটি সত্য যা তার পরিবার সম্পর্কে ন

ীতি পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজন। তিনি তার বাবার

কাছে চুক্তি বাতিল করতে চাইলেন, কিন্তু তার পরিবার

ের সুযোগ কখনো তার হাতে ছিল না। তিনি তার জমিদারি

বাঁচানোর জন্য তার পরিবার সম্পর্কে অনির্ধারিত বিয

়ে এবং মেলানকোলিক সত্য নিয়ে সামাজিক আন্দোলন শুর

ু করলেন।