দুই দিন আগে ঢাকার মধ্যে একটি অচেনা নারী কাল্পনিক

জাতির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হয়। তার হাতে ছি

ল একটি খসড়া কাগজ, যাতে লেখা ছিল “অনির্ধারিত বিয

়ে”। সেই কাগজ দিয়ে তিনি একটি ঘরে প্রবেশ করেন, য

েখানে তার শাড়ি ছিল না কিন্তু মাথার চুল ছিল পাঁচ

ইঞ্চি। তার নাম ছিল রানু। তিনি রহস্যময় পীর কাদে

র আশ্রয়ে থাকতেন, যার সাথে তার একটি দীর্ঘ অতীত ছ

িল।

তিনি পীরের বাড়িতে ছিলেন কারণ তার একটি গোপন সন্ত

ান ছিল যার জন্ম হয়েছিল অনির্ধারিত বিয়ের ফলে। স

ে ছিল একটি ছেলে, যার মায়ের কথা কেউ জানত না, কিন

্তু পীর জানতেন সে তার ছেলে নয়। এই অজানা মায়ের

কাছে তিনি সবসময় ক্ষমা চাইতেন, কিন্তু কেউ তাকে প

াওয়ার মতো সুযোগ দিত না।

রানু পীরের কাছে এসে তার নাম দিয়েছিল রানু বাবু।

তিনি তার বাড়িতে এসে বলেছিলেন, তিনি তার বাবামার

সন্ধান খুঁজছেন। তার কাছে ছিল একটি ছবি, যাতে দুটি

মুখ ছিল — একটি ছিল তার নিজের মুখ, আর একটি ছিল অ

জানা মায়ের মুখ। তিনি বলেছিলেন, তার মায়ের কাছে

তিনি কখনো ফিরে যাবেন না, কিন্তু সে কাছে ফিরে আসব

ে।

পীর তার আশ্রয় দিয়েছিলেন কিন্তু তার মনে সংঘাত ছ

িল। তিনি জানতেন যে রানু তার পরিবারের একজন নয়, ক

িন্তু তার মনে তার কাছে একটি দায় ছিল। একদিন রানু

তাকে বলেছিল, তিনি তার মায়ের কাছে যাবেন না, কার

ণ তার মায়ের কাছে তার একটি গোপন সন্তান ছিল, যার

নাম ছিল রানু বাবু। সেই সন্তান ছিল তার মায়ের সন্

তান, কিন্তু তিনি জানতেন না কে ছিল তার বাবা।

এই সংঘাত তার মনে একটি চাপ তৈরি করেছিল। তিনি জানত

েন যে তিনি তার বাবা নয়, কিন্তু তিনি জানতেন যে ত

িনি তার বাবা হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এই সংঘাত তার ম

নে একটি বিভাজন তৈরি করেছিল, যার কারণে তিনি তার প

রিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিলেন।

তখন রানু তার সামনে এসে বলেছিল, তিনি তার মায়ের ক

াছে যাবেন না, কারণ তার মায়ের কাছে তার একটি গোপন

সন্তান ছিল যার নাম ছিল রানু বাবু। সেই সন্তান ছি

ল তার মায়ের সন্তান, কিন্তু তিনি জানতেন না কে ছি

ল তার বাবা।

এই সংঘাত তার মনে একটি চাপ তৈরি করেছিল। তিনি জানত

েন যে তিনি তার বাবা নয়, কিন্তু তিনি জানতেন যে ত

িনি তার বাবা হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এই সংঘাত তার ম

নে একটি বিভাজন তৈরি করেছিল, যার কারণে তিনি তার প

রিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিলেন।