গ্রাম কুমিল্লা জেলার একটি চর এলাকায় শামিমা তার
বাবার জমিদারি থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তার দেওর ম
োহাম্মদ আজাদ তার মামার বাড়ি থেকে প্রতিদিন তার ও
পর চাপ বাড়িয়ে আসছে। তিনি শামিমার বিয়ে করে দিত
ে চান এবং তার জমি নিয়ে স্বার্থ বাড়ানোর চেষ্টা
করছেন।
শামিমা তার দেওরের কথা শুনতে পাচ্ছে না। তিনি তার
মায়ের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন, যিনি একজন পুরো পুরো
ভূত দেখতে পান। শামিমার মায়ের কাছে তিনি শিখেছিল
েন যে চরের জঙ্গলে একটি ভূত ঘুরছে, যা কাউকে বাঁচা
তে পারে না যদি সে ভুল করে।
একদিন শামিমা চরের জঙ্গলে যায় এবং তার দেওর মোহাম
্মদ আজাদ তাকে অনুসরণ করে। তিনি তার কাছে পৌঁছাতে
চান এবং তার জমি দখল করতে চান। শামিমা তার দেওরকে
ভূতের কাছে নিয়ে যায় এবং তিনি অপরিচিত ভূতের আতঙ
্ক বুঝতে পারেন।
ভূত তাদের দুজনকে একটি মাটির কুঁড়ে ঘরে ফেলে দেয়
, যেখানে তাদের জীবন হারিয়ে যায়। শামিমা তার দেও
রকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং ভূতের কাছে তার প্রাণ
দেয়। ভূত তাকে মুক্ত করে দেয়, কিন্তু তার দেওর
মৃত হয়ে যায়।
শামিমা বাড়ি ফিরে আসে এবং তার মায়ের কাছে তার প্
রাণ বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ জানায়। তার দেওরের মৃত
্যু তার পরিবারের কাছে একটি নতুন শুরু হয়ে যায় এ
বং শামিমা তার জমি পুনরায় অধিকার করে নেয়। তিনি
তার মায়ের পরামর্শ অনুসরণ করে এবং ভূতের আতঙ্ক বা
ঁচানোর জন্য প্রতিশোধ নেয়।
শামিমা এখন তার নিজের জমি নিয়ে একটি স্বাধীন জীবন
শুরু করে এবং তার ভূতের আতঙ্ক থেকে মুক্তি পায়।
এই গ্রামের মধ্যে তার নাম এখন একটি ভয়ঙ্কর গল্প হ
িসাবে পরিচিত হয়।


