দুই ভাইয়ের পরিবারে জন্মে মুহম্মদ খান ঢাকার মধ্য
বিত্ত পরিবারে বড় হয়। তার বাবা একজন ছোট ব্যবসায
়ী, এবং মায়ের মৃত্যু তার মনে একটি শহুরে একাকীত্
ব ছেড়ে দিয়েছিল। তার প্রথম প্রেম ছিল তার প্রতিব
েশী শিমু মুখার্জীর সাথে, যিনি তার বাবার সাথে প্র
াণ দিয়ে প্রতিযোগিতা করেছিলেন। তার পরিবার তাদের
প্রেমকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছিল, কারণ শিমু একজন
হিন্দু ছিলেন।
খান শিমুর সাথে পালিয়ে গিয়ে ঢাকার একটি কাল্পনিক
জগৎে বসবাস করে, যেখানে ভূত এবং প্রাচীন রহস্য পর
িবেশের সাথে মিশে যায়। এই জগৎে সময় বা শিক্ষা বা
ধর্মের কোনও বাধা নেই। তবে এখানে একটি নিয়ম রয়ে
ছে: যে কেউ এই জগৎে প্রবেশ করবে তাকে তার জীবনের স
বকিছু ছেড়ে দিতে হবে — তার পরিবার, তার বন্ধু, তা
র ধর্ম।
খান শিমুকে নিয়ে এই জগৎে প্রবেশ করে, কিন্তু তার
মনে সেই শহুরে একাকীত্ব ফিরে আসে। তিনি বুঝতে পারে
ন যে তিনি শিমুকে বাঁচাতে পারবেন না, যদি তিনি তার
জীবন ছেড়ে দেন। তিনি বুঝতে পারেন যে তার উচ্চাকা
ঙ্ক্ষা শুধু শিমুর জন্য নয়, তবে তার মায়ের জন্যও
।
শিমু কাল্পনিক জগতের একটি ভূত দ্বারা প্রভাবিত হয়
ে পড়েন, যা তার জীবন থেকে সমস্ত কিছু চুরি করে। খ
ান তার মায়ের প্রতি অনুরাগ এবং শিমু প্রতি প্রেমে
র মধ্যে দুই পাশের দুইটি মুখ খুঁজে পান। শেষ পর্যন
্ত তিনি তার পরিবারের প্রতি অনুরাগ এবং শিমুর প্রত
ি প্রেমের মধ্যে দুইটি জীবন বাঁচাতে চান — একটি কা
ল্পনিক জগৎ এবং একটি আসল জগৎ।
খান শিমুকে বাঁচাতে চান, কিন্তু তিনি বুঝতে পারেন
যে তার মায়ের মৃত্যু তার মনকে একটি স্থায়ী আশাবা
দী রূপ দিয়েছিল। তিনি শিমুকে ছেড়ে দেন এবং তার জ
ীবনে আবার একটি আশাবাদী শহুরে একাকীত্ব ঘিরে আসে।
তিনি পুনরায় ঢাকায় ফিরে আসেন, এবং তার পরিবারের
সাথে সম্পর্ক পুনরায় বাঁধেন।
তিনি শিমুর প্রেম ছেড়ে দেন, কিন্তু তার মনে একটি
আশাবাদী জীবন থেকে বাঁচার অসম্ভব ইচ্ছা আছে। তিনি
জানেন যে তিনি কাল্পনিক জগতে ফিরে আসবেন না, কিন্ত
ু তার মন তাকে সেখানে ফিরে আসার জন্য চায়। এই চাও
য়া তাকে সেই শহুরে একাকীত্ব থেকে মুক্তি দেয় না,
কিন্তু তার মনকে আশাবাদী করে তোলে।


