সুলতানা বাড়িতে অপেক্ষা করছিল একটি প্রতিশোধের ঘো

ষণা, যেখানে একটি মৃত নদী ও চর জীবন আবার জীবন ফির

ে পেয়েছে। তার ছেলে রহিম ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যাল

য়ে পড়ছিল এবং তার জীবনে একটি সৎ পুলিশ কর্মকর্তা

এসে হাজির হয়েছিল—শেখ মোহাম্মদ হাবিব, যিনি তার

বাবার বাড়ি থেকে সামনের দিকে এগিয়ে আসছিল।

হাবিব কিছুদিন আগে একটি ধর্মান্তরিত প্রেমের ঘটনার

খুঁজে বার করেছিলেন, যেখানে একজন মুসলিম ছেলে একজ

ন খ্রিস্টান মেয়েকে ভালোবাসে এবং তার পরিবার তাদে

র প্রেমকে অপরাধ বলে মনে করে। সুলতানা তার ছেলে রহ

িমের জন্য এই ঘটনা নিয়ে ভাবছিলেন, কারণ তিনি জানত

েন যে রহিম খ্রিস্টান মেয়ে কামিনী সাহা থেকে প্রে

মে আবদ্ধ।

হাবিব জানতেন যে এই প্রেম শুধু দুটি মানুষের কথা ন

য়—এটি ভবিষ্যৎ জগৎ নির্মাণের একটি সংক্ষিপ্ত বাক্

য। তিনি কামিনীর বাবা রাজেন দাসকে সাক্ষাত করেছিলে

ন, যিনি তার ছেলেকে অপরাধ বলে মনে করতেন। কিন্তু ত

িনি জানতেন যে রাজেন দাস সত্যিই কামিনীর বাবা নয়,

তিনি মাত্র একজন সাধারণ মানুষ যিনি কামিনীকে বাচা

নোর চেষ্টা করছিলেন এবং তার প্রেমকে ধর্মান্তর বলে

মনে করছিলেন।

একটি অন্ধকার রাতে রহিম ও কামিনী একটি ছোট ঘরে আশ্

রয় নেয়। সেখানে তারা কথা বলে, প্রেম করে এবং একট

ি নদীর ধারে বসে তাদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে। কিন্তু

এই সময় হাবিব এসে হাজির হয়েছিলেন এবং তিনি তাদে

র বাড়ি থেকে সামনের দিকে এগিয়ে আসছিলেন। তিনি জা

নতেন যে তার দায়িত্ব হলো এই প্রেম বন্ধ করা এবং এ

টি একটি আবেগঘন সংঘর্ষ হিসেবে দেখা।

হাবিব তাদের বাড়ি থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যান এব

ং তাদের প্রেমকে বন্ধ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তি

নি জানতেন যে এটি শুধু দুটি মানুষের কথা নয়—এটি ভ

বিষ্যৎ জগৎ নির্মাণের একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য। তিনি

কামিনীকে বলেন, "আমি তোমার প্রেমকে বন্ধ করব না, ক

িন্তু আমার কাছে একটি নীতি আছে যা তোমার প্রেমকে ব

াঁচাবে।" এবং তিনি তাদের প্রেমের জন্য একটি প্রতিশ

োধ বানান, যেখানে একটি নদী ও চর জীবন আবার জীবন ফি

রে পেয়েছে।