1980এর দশকে ঢাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া এক ছেলে সম্পর
্কে জানতে চাওয়া এক বিধবা মা কাঠগড়ায় চলে আসে।
সেখানে নারীদের বাঁচার উপায় হল পুরুষদের পরিবারে
মিশে যাওয়া, কারণ এই শহরে নারী নিজের জন্য কিছু ক
রতে পারে না— আইন এবং সংস্কৃতি তাদের পথ বন্ধ করে
দেয়। তার নাম সুরেন্দ্র ছিল, যে কাঠগড়ার একটি বা
ড়িতে বাস করত।
তার মা কাঠগড়ার একটি বিধবা মহিলা হিসেবে তাকে চিন
তে পারেনি। কারণ এই শহরে একজন বিধবা মহিলার পুনর্ব
িবাহ হল জীবন বাঁচার একমাত্র উপায়, আর তা হয় তাদ
ের আত্মত্যাগ নিয়েই। সুরেন্দ্রের মা একজন বিধবা হ
িসেবে নিজের জীবন নিয়ে চলছিল এবং তার ছেলে খুঁজে
পেতে সে এই শহরে আসে।
তিনি একজন বিধবা মহিলার ঘরে কাজ করতে থাকেন আর সেখ
ানে তিনি জানতে পারেন যে এই শহরে বিধবা মহিলাদের প
ুনর্বিবাহ করার আগে তাদের সন্তানদের সম্পর্কে কোনও
তথ্য প্রকাশ করা হয় না— কারণ সেটা একটি সামাজিক
বিধি হিসেবে নিষিদ্ধ। এই নিয়ম মানতে হয় যাতে বিধ
বা মহিলারা পুরুষদের সাথে জীবন চালাতে পারে।
সুরেন্দ্রের মা একটি বিধবা মহিলার ঘরে পুনর্বিবাহে
র জন্য সম্মতি দেন কিন্তু তার পরিবার সে কোনও ছেলে
খুঁজে পায়নি বলে তার পরিবার সেই বিধবা মহিলাকে ত
ার ছেলের খোঁজে বাধ্য করে। সেই মহিলার সাথে তিনি স
ম্পর্ক বাড়ায় আর একদিন তিনি জানতে পারেন যে সুরে
ন্দ্র তাদের সাথে বাস করত আর সে একটি কাঠগড়ার কাজ
ে নিযুক্ত ছিল।
এই কাজে তিনি অংশ নিয়ে তার ছেলের চিহ্ন খুঁজতে থা
কেন আর একদিন তিনি জানতে পারেন যে সুরেন্দ্র কাঠগড
়ার একটি নামহীন মাটির কাছে মারা গেছে। এই খবরটি ত
িনি তার পরিবারকে দিয়ে চুপ করে থাকেন। এই শহরে না
রীর আত্মত্যাগ জীবন বাঁচার একমাত্র উপায় হিসেবে দ
েখা হয় আর তিনি সেটা বুঝে গিয়েছিলেন।
তিনি বিধবা হিসেবে পুনর্বিবাহ করে নতুন জীবন শুরু
করেন আর তার ছেলে খুঁজে পাওয়ার স্বপ্ন তিনি আর পো
ষণ করেন না। কারণ এই শহরে নারীদের জীবন হল রোমাঞ্চ
কর এবং আত্মত্যাগের এক রূপ।


