বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ একটি মাত্র বিলাসবহুল শহর নয়—

এটি একটি চুপচাপ ভূতের জাতি দ্বারা শাসিত শহর। এখা

নে মানুষ নয়, ভূত আছে। প্রত্যেক বাড়িতে একজন ভূত

থাকে আর সেই ভূত বাড়ির শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে। এট

ি একটি নিয়ম যা বদলায় না।

সংগ্রামী ছাত্রনেতা রফিক ঢাকার একটি স্থানীয় কলেজ

ে পড়ায়। তিনি সংগ্রামী আন্দোলনের প্রধান চেহারা

হয়ে ওঠেন আর সংবিধান সংস্কারের বিরুদ্ধে তাঁর আন্

দোলন উঠে আসে। তিনি বিয়ে করেন রানুকে, একজন কৃষক

পরিবারের কন্যা যিনি ভূতের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য

জন্মগ্রহণ করেন। রানু বিয়ে করার আগে একটি ভূতের স

ঙ্গে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন আর তার বিয়ে ভাঙার ষড়যন

্ত্রে সেই ভূত জড়িত হয়।

রফিক একটি বিয়ে ভাঙার ষড়যন্ত্রে জড়িত হয় যার ম

াধ্যমে তাঁর পরিবার ভূতের শক্তি থেকে মুক্ত হবে। র

ানু তাঁর প্রেম থেকে ঘৃণা করতে শুরু করেন আর তাঁর

সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। তিনি বিয়ে ভাঙার ষড়যন্

ত্রে সহায়তা করেন আর সেই ষড়যন্ত্র রফিকের সংগ্রা

মী জীবনকে একটি নতুন দিকে ফিরিয়ে আনে।

ভবিষ্যৎ শহরে একটি নতুন নিয়ম সৃষ্টি হয়: মানুষ আ

র ভূতের মধ্যে সম্পর্ক থাকলে তা সম্পূর্ণ নিয়মের

বাইরে চলে যায়। রফিক একজন নারী ও ভূতের মধ্যে সংঘ

র্ষের মাধ্যমে নিজেকে পুনর্জীবিত করেন আর একটি হৃদ

য়বিদারক পরিণতি পান। এই ভবিষ্যৎ শহরে এখন সংগ্রাম

একটি নতুন রূপ ধারণ করেছে।

এই কাহিনী গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে ভবিষ্যৎ শহরের ম

ধ্যে একটি সংঘর্ষ দেখায় আর সেই সংঘর্ষের মাধ্যমে

নারী ও সংগ্রামী ছাত্রনেতার জীবনের একটি হৃদয়বিদা

রক পরিণতি ঘটে।