সাত বছর আগে ঢাকার একটি চাকরির পরিবারে বিদেশি বউ

কাজে আসে। তার নাম মারিয়া মার্কোস, তিনি স্পেনের

কাছ থেকে আসেন। ঘরে তার আগমন একটি অপ্রত্যাশিত ভবি

ষ্যৎ ঘটনা শুরু করে। ঘরে তার আসার পর থেকে গৃহসংসা

র বদলে যায়—আর এই বদলানো জগৎ পরিবারের মধ্যে একটি

খুব নূতন শক্তি উত্থিত হয়।

মেয়ের শাশুড়ি মাহবুবা কুমারী তার মেয়ের সাথে সম

্পর্ক কাটিয়ে দিতে চান। তিনি মনে করেন যে বিদেশি

বউ পরিবারের সংস্কৃতি ধ্বংস করছে। মাহবুবা একটি প্

রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরের শিল্পী ছিলেন, যার কাছে মুক্

তিযুদ্ধের সময় সামাজিক বদলের কথা শুনেছিলেন। এখন

তিনি আবার ঐ বদলানো শক্তি দেখতে পাচ্ছেন—এবার বিদে

শি বউয়ের আসা দিয়ে।

বিদেশি বউ মারিয়া তার নতুন জীবনে আপন হওয়ার চেষ্

টা করছেন। তিনি একটি নতুন ভাষা শিখছেন, একটি নতুন

সংস্কৃতি গ্রহণ করছেন। কিন্তু তার সাথে ঘরের সংস্ক

ৃতি এবং পরিবারের মধ্যে বিষণ্ণ ঝগড়া শুরু হয়। মা

হবুবা মারিয়াকে বাড়ি থেকে বাইরে করতে চান, কিন্ত

ু তিনি কোনও সময় সে বিষয়ে প্রকাশ করেন না। বরং ত

িনি মারিয়ার পরিবারের সাথে একটি নতুন জগৎ তৈরি কর

ার চেষ্টা করছেন, যেখানে বিদেশি এবং বাংলাদেশি সংস

্কৃতি মিশে যায়।

একদিন মাহবুবা মারিয়ার কাছে গিয়ে তাকে বলেন, “আম

ার মেয়ে তোমার সাথে হারিয়ে যাচ্ছে। তুমি আমার ঘর

ে আসার পর থেকে আমার সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে।” মারি

য়া তার চোখ দুটি বাড়িয়ে তাকিয়ে বলেন, “আমি এসে

ছি এই জগতে একটি নতুন ভবিষ্যৎ তৈরি করার জন্য। আমি

বাংলাদেশি ও বিদেশি সংস্কৃতি মিশিয়ে একটি নতুন স

ংস্কৃতি তৈরি করতে চাই।”

মাহবুবা শেষ পর্যন্ত মারিয়ার সাথে কথা বলে এবং তা

র সাথে একটি নতুন জীবন শুরু করেন। এই নতুন জীবন আর

এই নতুন সংস্কৃতি দুই পরিবারকে এক করে তোলে। এই ভ

বিষ্যৎ যে একটি বিদেশি বউয়ের কাহিনী ছিল, এখন তা

একটি নতুন জগৎ হয়ে ওঠে, যেখানে ক্ষমতার লড়াই হয়

েছে, এবং স্নেহময়ী শাশুড়ি এবং বিদেশি বউ এক করে

তোলে।