ডেঙ্গু ভাইরাসের চিকিৎসা বিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত এক স
ংস্কৃতি নামে "ফিউচার বাংলাদেশ" আবির্ভূ
ত হয়, যেখ
ানে মানুষের মস্তিষ্ক একটি ডিজিটাল সংস্কৃতি দিয়ে
চালিত হয়। এই সংস্কৃতি বাংলাদেশের পরিবারগুলোকে
আধুনিক কম্পিউটার সিস্টেমের মতো কাজ করায়, যেখানে
মানুষের চিন্তা এবং ক্রিয়া সম্পূর্ণ কম্পিউটার ব
াইপাস করে নিয়ন্ত্রিত হয়।
সুরাইয়া নামে একজন নারী এই সংস্কৃতির মধ্যে জন্মগ
্রহণ করে। তার পিতা একজন প্রবাসী বাংলাদেশী, যে কা
নাডায় বসবাস করছিল এবং তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ
রাখছিল ডিজিটাল পরিবার কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্য
মে। তার মায়ের মৃত্যুর পর সুরাইয়া তার দেওর কাছে
চলে যায় — একজন নিষ্ঠুর দেওর, যে তার পিতার স্ত্
রী হিসেবে তাকে আবদ্ধ করে দেয়। সে তাকে বলে, “তুম
ি আমার পরিবারের অংশ, আর তুমি আমার মায়ের জায়গায
় যাবে।”
সুরাইয়া তার দেওরের পরিবারের সাথে থাকতে বাধ্য হয
়, যেখানে পরিবারের প্রতিটি সদস্য একটি ডিজিটাল সং
স্কৃতি দিয়ে চালিত হয়। তার দেওর তাকে বাধ্য করে
পরিবারের ডিজিটাল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার জন্য,
যেখানে তার মন এবং চিন্তা সম্পূর্ণ কম্পিউটার বাইপ
াস করে নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি তার মনকে আপন করে ফে
লেন এবং তার পরিবারের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য তাকে
বাধ্য করেন।
একদিন সুরাইয়া তার মনে একটি বিচ্ছেদ অনুভব করে, য
খন তার পিতার পরিবার থেকে আসা একটি সংক্রমণ ঘটে এব
ং তার মনের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। সে তার দেওরকে বাধা দ
েয় এবং তার পরিবার থেকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ল
ড়াই করে। তিনি একটি বিশ্বাসঘাতকতা ঘটায়, যেখানে
তার দেওর তার মনের কম্পিউটার সিস্টেম বন্ধ করে দেয
় এবং তার মন চুরি করে নেয়।
অবশেষে সুরাইয়া তার পরিবারের ডিজিটাল নেটওয়ার্ক
থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে, যেখানে তার মন আবার তার
নিজের হাতে থাকে। কিন্তু তার দেওর তার জীবনে একটি
ভয়ঙ্কর চিহ্ন রেখে যায়, যেটি তার জীবন থেকে কখন
ও মুছে যাবে না।


