দুই হাজার বছর পরে একটি জমিদারি কালো সাদা ঝুড়িতে
ফিরে আসে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সমাজে জমি বিনিময়ে
র বদলে ডিজিটাল টক্কা হয় মূল্য। এখানে প্রতিটি জম
িদারি একটি নিউরোপাইথন চিপে পরিণত হয়েছে। কিন্তু
সাধারণ মানুষ এখনও পুরানো চুক্তি মোতাবেক জমি দখল
করে থাকে।
রফিকা একজন ত্যাগী মা ছিলেন। তিনি তাঁর ছোট ছেলে শ
ফিককে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গঠনে জড়িত হওয়ার জন্য
চাহতেন। কিন্তু তাঁর স্বামী জমিদারি উত্তরাধিকার স
ম্পর্কে একটি অজানা চুক্তি রেখে গেছিলেন — যা তাঁর
পরিবারের জন্য ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ বিপজ্জনক করে তুল
েছিল।
রফিকা জানতে পারে যে তাঁর ছেলে শফিক একজন চোরের অন
ুশোচনা ঘটিয়েছে। শফিক জমিদারি চিপগুলো চুরি করেছি
ল এবং তার চোরের অনুশোচনা হিসাবে তার জমি ফিরে আসা
র সম্ভাবনা নেই। রফিকা জানতে পারে যে এই চোরের অনু
শোচনা তাঁর ছেলের জন্ম থেকে তাঁর পরিবারের সঙ্গে জ
ড়িত।
তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সমাজের মধ্যে প্রথম মহিলা
হিসাবে একটি নারী হিসাবে আপনার জমিদারি উত্তরাধিক
ার চুক্তি ভেঙে ফেলতে চান। কিন্তু তিনি জানতে পারে
ন যে এই চুক্তি প্রকৃতপক্ষে তাঁর ছেলে শফিকের জন্ম
ের সময় স্বামী তাঁর সাথে করেছিল। এটি তাঁর জীবনে
একটি নস্টালজিক সময় ছিল, যখন তিনি ছিলেন একজন ত্য
াগী মা এবং স্বামী ছিলেন একজন জমিদার।
রফিকা শফিককে নিয়ে একটি মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলেন।
তিনি তাঁর ছেলেকে বলেন যে এই জমিদারি উত্তরাধিকার
চুক্তি তাঁর জীবনে একটি চোরের অনুশোচনা ছিল, যা ত
িনি ভবিষ্যৎ সমাজের জন্য সংশোধন করতে চান। তিনি জা
নতে পারেন যে এই চুক্তি তাঁর ছেলের জন্মের সাথে সং
যুক্ত ছিল, এবং এটি তাঁর জীবনে একটি নস্টালজিক সময
় ছিল।
রফিকা তাঁর ছেলেকে জানান যে এই চুক্তি তাঁর জীবনে
একটি ত্যাগী মায়ের জীবন নির্ধারণ করেছিল, এবং এখন
তিনি এটি ভবিষ্যৎ সমাজের জন্য পরিবর্তন করতে চান।
শফিক তাঁর মাকে বলে যে তিনি জমিদারি চুক্তি ভেঙে
ফেলতে চান, কিন্তু তিনি জানেন যে এটি তাঁর জীবনে এ
কটি চোরের অনুশোচনা ছিল, যা তিনি সম্পূর্ণ বিশ্বাস
করেন না।
রফিকা তাঁর ছেলেকে বলেন যে এই চুক্তি তাঁর জীবনে এ
কটি নস্টালজিক সময় ছিল, যখন তিনি ছিলেন একজন ত্যা
গী মা এবং তাঁর ছেলে ছিলেন একজন চোরের অনুশোচনা। ত
িনি জানতে পারেন যে এই চুক্তি তাঁর জীবনে একটি জমি
দারি উত্তরাধিকার ছিল, যা তিনি ভবিষ্যৎ সমাজের জন্
য সংশোধন করতে চান।


