প্রথম পর্ব: সে একজন মহিলা যিনি ঢাকার শহরে চলছে,

সে জানে না কেন সে এখানে ফিরে এল। একটি বাড়ি থেকে

তার হাতে একটি ছোট বাক্স পাঠানো হয়। বাক্সে ছিল

একটি স্মৃতিচিহ্ন, একটি পুরানো চিঠি। চিঠিতে লেখা

ছিল মুক্তিযুদ্ধের ঋণ বাকি আছে। সে চিঠি খুলে দেখে

যে সে একটি অন্য জগতে পড়েছে, যেখানে আধুনিকতা আর

সংস্কার একই রাস্তায় চলছে।

দ্বিতীয় পর্ব: সে জানতে পারে যে এই জগতে মুক্তিযু

দ্ধের ঋণ কেউ মুক্তি দিতে চায় না। একটি নেতা সব স

ংস্কার মুছে ফেলেছে, আধুনিকতার নামে সে দুর্নীতি ক

রছে। সে জানতে পারে যে তার পিতা এই নেতার সঙ্গে মি

থ্যা করেছিল, যার জন্য তার পরিবার বিধ্বস্ত হয়েছি

ল। সে সেই ঋণ ঘুচাতে চায়।

তৃতীয় পর্ব: সে জানতে পারে যে এই জগতে আধুনিকতা ব

নাম সংস্কারের মধ্যে একটি নিয়ম আছে—যে কেউ যদি আধ

ুনিকতার বিরুদ্ধে চলে, তাকে মারা হয়। সে এই নিয়ম

বাতিল করতে চায়। সে নেতার সঙ্গে সামনাসামনি হয়,

কিন্তু নেতা তাকে বলে যে সে কেউ নয়, সে কেবল একট

ি স্মৃতি মাত্র।

চতুর্থ পর্ব: সে জানতে পারে যে এই জগতে সত্য বলা ব

াড়ির বাইরে যায় না। সে একটি গোপন সংস্কার বাড়িত

ে যায়, যেখানে সবাই আধুনিকতার বিরুদ্ধে মুখ ফিরিয

়ে রেখেছে। সে সেখানে একটি মুখ দেখে, যেটি তার পিত

ার মতো। সে জানতে পারে যে তার পিতা এখনও জীবিত আছে

, কিন্তু সে এখানে আসতে পারে না।

পঞ্চম পর্ব: সে জানতে পারে যে নেতা এই জগতে আধুনিক

তা বনাম সংস্কারের মধ্যে একটি নিয়ম বাতিল করতে চা

য়। সে সেই নিয়ম বাতিল করে দেয়, কিন্তু তার দায়

িত্ব বাড়ে। সে জানতে পারে যে সে একটি স্মৃতিচিহ্ন

হয়ে গেছে, যার সমাপ্তি কেউ জানে না।

ষষ্ঠ পর্ব: সে জানতে পারে যে তার পিতা তার সঙ্গে ম

ুক্তিযুদ্ধের ঋণ ঘুচাতে চায়। সে জানতে পারে যে সে

একটি আধুনিক জগতে পড়েছে, যেখানে সংস্কার আর আধুন

িকতা একই রাস্তায় চলছে। সে জানতে পারে যে সে এখন

কেউ নয়, কেবল একটি স্মৃতি।