দুই বছর ধরে ঢাকার একটি ছোট ঘরে জীবনযাপন করছিলেন

সুরেন্দ্র মুসলমান পরিবারের শাশুড়ি রানু খান। তিন

ি কখনও প্রথম দৃষ্টিতে নানাদিন মামা মুসলমান বাড়ি

তে কোনো অসুবিধা করেননি, কিন্তু একদিন অজানা অতিথি

হিসেবে তাঁর চোখে দেখা দেয় একটি বৈজ্ঞানিক মেশিন

যার দেহ গঠন ছিল সম্পূর্ণ ভবিষ্যৎ তামামা বানানো

ধাতু। মেশিনটি কারো নাম ছাড়াই আসে এবং তার কথা বল

ার ক্ষমতা ছিল মানুষের মতোই, কিন্তু তার বোকা হাসি

সবাইকে ঘৃণা করায়।

এই মেশিন পরিবারের মধ্যে শহুরে একাকীত্ব ঘটায়— কা

রণ সবাই তার আগমন বুঝতে পারে না, কিন্তু সে জানে স

বকিছু। সে রানু খানের বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ দেখায়, ক

িন্তু সে দেখায় তাদের ভবিষ্যৎ যেখানে সবাই তাদের

জন্য বাঁচার পথ খুঁজতে পারে না। এটি বিদ্রূপাত্মক

ছিল, কারণ সে বাচ্চাদের মানসিক স্থিতি বিশ্লেষণ কর

তে পারে, কিন্তু কখনো তাদের হাত ধরতে পারে না।

রানু খান স্নেহময়ী হলেও তিনি এই অজানা অতিথিকে ঘৃ

ণা করেন। তিনি বুঝতে পারেন যে এই মেশিন পরিবারের স

ম্পূর্ণ ভবিষ্যৎ বিপর্যস্ত করছে। তিনি মেশিনটিকে ব

াড়ি থেকে বাইরে করার চেষ্টা করেন, কিন্তু মেশিনটি

তার বাড়ির সব সুবিধা বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ ভবিষ্যৎ

তামামা বানানো ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি করে। এই ভবিষ্য

ৎ বাড়িতে রানু খান আর তার পরিবার অস্থায়ী হয়ে প

ড়ে।

এই মেশিনের উপস্থিতি শহুরে একাকীত্ব সৃষ্টি করে এব

ং এটি বিদ্রূপাত্মক হিসেবে পরিবারের মধ্যে পরিচিত

হয়ে ওঠে। কোনো নিয়ম নেই, কোনো বাধা নেই, কিন্তু

এটি পরিবারের জীবনে প্রতিটি ঘটনার জন্য একটি ভবিষ্

যৎ দেখায়, যা অনেক সময় তাদের বাস্তব জীবনে ঘটে ন

া। এটি বিদ্রূপাত্মক হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত পরি

বারটি এই ভবিষ্যৎ বাড়িতে বসে বাইরে কোনো সম্ভাবনা

দেখতে পায় না।