1980এর দশকের শেষের দিকে ঢাকার একটি চাকরির ঘরে মহ

াপ্রলয়ের আগুন ঝাঁপিয়ে পড়ে। জমি ও পানি কাটা গে

ল, সবকিছু বিলুপ্ত হয়ে যায়, কিন্তু এই প্রলয় কখ

নও সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। পুরুষ চাকরির ঘরের পুরানো

পরিবার আজ দুই তৃতীয়াংশ জমি হারিয়েছে, দুই ছেলে

ঢাকায় বসবাস করছে আর একটি ছেলে ইউরোপে প্রবাসী হয

়ে গেছে। তাদের মায়ের পাশে বসে থাকা একজন রহস্যময

় আগন্তুক এসে উপস্থিত হয়, যার কথা কেউ বলতে পারে

না।

আগন্তুকের কাছে একটি পুরানো চাকরির ঘরের খবর আছে—

একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ শুরু হয়েছে। সে বলে, প্রব

াসী ছেলে তার পরিবারের সাথে ছাড়া পাঠানো টাকা দিয

়ে একটি বিদেশি সংস্কৃতির বাড়ি বানিয়েছে, যেখানে

তার বাবা বাবু আর মায়ের বাড়ি তৈরি করার জন্য কো

নও সময় ছিল না। এই বিদেশি সংস্কৃতি তার পরিবারকে

ক্ষতিগ্রস্ত করেছে আর তার মায়ের হাত থেকে সব ছাড়

া হয়েছে।

পুরুষ চাকরির ঘরের ছেলেটি আগন্তুকের কাছে কথা বলে

এবং জানতে পারে যে তার ভাই ইউরোপে তার নামে একটি ক

োম্পানি চালাচ্ছে, যার কোনও সম্পর্ক তার পরিবারের

সাথে নেই। তার মায়ের কাছে এই সত্যটি ফুটে উঠার সম

য় তিনি ক্ষুব্ধ হন আর পুরুষ ছেলেটি এই রহস্যময় আ

গন্তুকের সাথে একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ শুরু করে।

তিনি বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে কী করে তার পরিবারক

ে ভেঙে ফেলা যায় তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন আর প

রিবারের মধ্যে বিদ্বেষ তৈরি করেন। আবেগঘন পরিবেশে

পুরুষ ছেলেটি নিজেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে তুলে

এবং তার ভাইয়ের সাথে একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ শুরু

করে।

তখন আগন্তুক পরিবারের মধ্যে একটি মহাপ্রলয় আরও গভ

ীর করে দেয়। তিনি বলেন, বিদেশি সংস্কৃতি তাদের মধ

্যে ভাঙন তৈরি করেছে, আর এই ভাঙন থেকে একটি নতুন প

রিবার তৈরি হবে যেখানে বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব আর

নেই।

পুরুষ ছেলেটি তখন নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তার

ভাইয়ের সাথে একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ চালায়, যার

মূল হল বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব আর পরিবারের মধ্যে

বিচ্ছেদ। এই বিচ্ছেদ এখন পরিবারের মধ্যে একটি নতু

ন মহাপ্রলয় তৈরি করেছে যার কোনও শেষ নেই।