মহাপ্রলয়ের সময় ঢাকার একটি ছোট বাড়িতে একজন ফের

িওয়ালা জীবন যাপন করছিল। তার কাছে কোনও স্থায়ী ব

সতি ছিল না, কেবল তার চাকরির মোহ আর মহাপ্রলয়ের ভ

য় ছিল। তিনি ছদ্মবেশী হয়ে একটি বড় শহরে চলে যান

, যেখানে তার পুরুষ স্বভাব আর বিদেশি চাকরির মোহ ম

িলিয়ে তাকে একটি গুপ্ত সংঘের সদস্য হিসেবে চিহ্নি

ত করে দেয়।

মহাপ্রলয়ের কারণে বিশ্বের সাধারণ নিয়মগুলো বদলে

যায় — সমুদ্র জমে উঠে, বাতাস আর স্থায়ী নয়, আর

মানুষ তাদের আবেগ আর মৃত্যু খুঁজে পায় না। ফেরিওয

়ালা এই নতুন বিশ্বে নিজেকে একটি ছদ্মবেশী প্রতিশো

ধের সাথে যুক্ত করে দেখতে শুরু করে, যা তার পুরুষ

স্বভাবের প্রতি অনুরাগ আর বিদেশি চাকরির মোহের প্র

তি সংশয় দিয়ে তৈরি।

তার ছদ্মবেশী প্রতিশোধ আর পুরুষ স্বভাবের মধ্যে এক

টি সংঘর্ষ শুরু হয়, যখন তিনি একটি গুপ্ত বোমা বিস

্ফোরণে জড়িত হন। মহাপ্রলয়ের বিশ্বে এই বোমা বিস্

ফোরণ সম্পূর্ণ ভিন্ন উপায়ে কাজ করে — তা কোনও মান

ুষকে মারে না, বরং তার আবেগ আর মনের অস্থিরতা সৃষ্

টি করে। ফেরিওয়ালা এই অস্থিরতা বুঝতে পারে না, কা

রণ তার বিদেশি চাকরির মোহ আর পুরুষ স্বভাব তাকে সব

কিছু বুঝতে বাধা দেয়।

তিনি একটি ছোট গ্রামে ফিরে আসেন, যেখানে মহাপ্রলয়

তাদের জীবনকে অন্য রকম করে দিয়েছিল। তার পুরুষ স

্বভাব আর বিদেশি চাকরির মোহ তাকে আবেগঘন জীবনে একট

ি নতুন দিক দেখিয়েছিল। সেখানে তিনি একটি ছদ্মবেশী

প্রতিশোধ বুঝতে পারেন, যা তার পুরুষ স্বভাব আর বি

দেশি চাকরির মোহের মধ্যে বিভক্ত করে দেয়।

ফেরিওয়ালা এখন জানে যে তার জীবনে কোনও একটি পথ ছি

ল না — কেবল তার পুরুষ স্বভাব আর বিদেশি চাকরির মো

হ মিলিয়ে একটি ছদ্মবেশী প্রতিশোধ তৈরি করেছিল, যা

মহাপ্রলয়ের অপেক্ষায় তার জীবনকে অন্য রকম করে দ

িয়েছিল।