বাংলাদেশের ঢাকা শহরের একটি গুপ্ত সংগ্রহালয়ে দেশ

প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা রফিক একটি চিঠি খুঁজে পায়,

যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় একজন বিধবা মহিলা

থেকে লেখা ছিল। চিঠিটি তার একজন মুক্তিযোদ্ধা স্ব

ামীকে দিয়েছিল, যিনি পরে হত্যাকাণ্ডে নিহত হন।

রফিক চিঠির উৎস খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কার করে যে সেই

মহিলা তার স্বামীকে বাঁচাতে পারেনি, কিন্তু তার সন

্তান আজ একজন জমিদার হিসেবে বসে আছে এবং তার বিরুদ

্ধে অসামাজিক অপরাধের অভিযোগ আছে। মহাপ্রলয়ের পর

বিশ্বে জন্মে এসেছে এমন একটি শক্তি যা মানুষের মন

ও সমাজকে পরিবর্তন করেছে — এটি একটি আধ্যাত্মিক শক

্তি যা সামাজিক কলঙ্ক ও বিভাজন ঘুচিয়ে দেয়।

রফিক তার পুরুষ শক্তি ও দেশপ্রেমের সাথে এই শক্তি

ব্যবহার করে সেই জমিদারকে নিয়ে প্রতিশোধ নেয়, কি

ন্তু সে বুঝতে পারে যে সামাজিক কলঙ্ক শুধু বাইরে থ

েকে নয়, এটি মানুষের মনেও অনেকটা গুঁড়ো হয়ে আছে

। মহাপ্রলয়ের পর বিশ্ব বিভিন্ন ক্ষমতা ও মূল্যবোধ

ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে আধ্যাত্মিক সত্য

সামনে আসে।

রফিক চিঠির সত্য বুঝতে পারে এবং সেই সত্য সামাজিক

কলঙ্ক ও আধ্যাত্মিক শক্তির মধ্যে একটি সম্পর্ক খুল

ে দেয়। সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে এই সত্য সমাজে ফি

রিয়ে দেবে, কিন্তু সে জানে যে এটি তার জীবনের সব

কিছু হারানোর সাথে যুক্ত।

এই প্রলয়ের পর বিশ্বে একটি নতুন মূল্যবোধ আসে — য

েখানে আধ্যাত্মিক সত্য সামাজিক কলঙ্ক ঘুচিয়ে দেয়

এবং এটি দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার প্রতিজ্ঞা হিসে

বে বুঝতে হয়।