বাংলাদেশের ঢাকা শহরের একটি পুরান ঘরে মালিনী নামে

একজন নারী একা বসে আছে। তার কাছে ছিল তার ছেলে সা

বিন, যে একজন সংগ্রামী ছাত্রনেতা ছিল। সাবিন তখন জ

াতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে জড়িয়ে ছিল। একদিন সে হ

ঠাৎ অপহৃত হয়ে যায়, কোথায় গেল কেউ জানে না।

মালিনী তার ছেলের পরিচয় খুঁজতে শুরু করে। সে তার

ছেলের স্মৃতিচারণা করতে থাকে এবং একদিন তার ঘরে ভূ

তের আতঙ্ক শুরু হয়। ভূত মালিনীকে ডাকছে, তার ছেলে

র কাছে যেতে বলছে। মালিনী তখন তার ছেলের ছবি দেখতে

শুরু করে, সেই ছবিগুলো তার স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে

আছে।

তার ঘরে একজন পুরান পীর এসে পৌঁছে। সে মালিনীকে বল

ে যে তার ছেলে জীবিত আছে, কিন্তু তাকে অন্য জগৎ থে

কে ফিরিয়ে আনার জন্য তাকে একটি সাধনা করতে হবে। প

ীর তাকে বলে যে তার ছেলে একটি ভূত হয়ে গেছে এবং ত

ার মুক্তির জন্য তাকে তার স্মৃতিচারণা করতে হবে।

মালিনী তার ছেলের স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে শুরু ক

রে। সে তার ছেলের সাথে যুদ্ধের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে

, সে তার ছেলের কাছে যে আতঙ্ক ছিল সেটা পুনরুজ্জীব

িত করে। একদিন তার ঘরে একটি ভূত আসে এবং তার ছেলের

ছবি দেখায়। সে মালিনীকে বলে যে তার ছেলে এখন তার

সাথে এক হয়ে গেছে।

মালিনী তার ছেলের সাথে এক হয়ে যায়। সে তার ছেলের

স্মৃতিচারণা করে এবং তার আতঙ্ক বার করে ফেলে। তার

ছেলে এখন তার সাথে সবসময় আছে। মালিনী আর সাবিন এ

খন এক হয়ে গেছে এবং তারা ভূতের আতঙ্ক থেকে মুক্তি

পেয়েছে।

তবুও তাদের কাছে একটি নিয়ম আছে: তারা কখনো তাদের

স্মৃতিচারণা বন্ধ করবে না, কারণ তাদের ছেলে এখন তা

দের সাথে আছে এবং তাদের ভূতের আতঙ্ক তখন তাদের সাথ

ে আছে।