১৯৭০ এর দশকে ঢাকার একটি সামাজিক কুটিরে, শামীমা স

াহার জীবন ছিল একটি সংস্কারের সঙ্গে আধুনিকতার যুদ

্ধের সামনে। তার পিতা ছিলেন একজন পুরান জমিদার যে

তার আস্তানা থেকে আধুনিক শিক্ষা ও স্বাধীনতা আন্দো

লন ঘৃণা করতেন। শামীমা ছিল সেই যুগের সংগ্রামী ছাত

্রনেতা, যে তার কলেজের ক্যাম্পাসে আধুনিক শিক্ষার

উত্থান ও সংস্কারের প্রতি আহ্বান জানাত।

একদিন শামীমার ঘরে আসে একজন অজানা অতিথি — মুজিবুর

রহমান নামে একজন বয়স্ক মুক্তিযুদ্ধ কুটিরে প্রথম

কাহিনির মুখোপাত্র। তিনি শামীমাকে তার বাবার মৃত্

যু নিয়ে একটি গোপন রহস্য খুলতে বলেন — যেখানে জমি

দারি ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতিপক্ষ সংস্কার আন্দোলনের

সংঘর্ষ ছিল। শামীমা তখন তার পিতার সাথে সম্পর্ক ভ

েঙে দেয় এবং মুজিবুর রহমানের সাথে মুক্তিযুদ্ধ ও

সংস্কারের গল্প শুরু করে।

তার সাথে তার বাবার মৃত্যুর রহস্য ছিল একটি জমিদার

ি সংক্রান্ত হত্যা — যা ১৯৭১ সালের আগে একটি আস্তা

নার মধ্যে ঘটেছিল। শামীমা এই রহস্য খুলতে পারে কেব

ল যদি সে তার নিজের পরিবারের সংস্কারের সাথে আধুনি

কতার মধ্যে নিজেকে ফিরিয়ে নিতে পারে। তার জীবন এখ

ন একটি নস্টালজিক অভিযানে পরিণত হয় — যেখানে তার

প্রতিটি নির্বাচন প্রতিটি জমিদারি কাহিনি ও মুক্তি

যুদ্ধের স্মৃতিকথার মধ্যে প্রবেশ করে।

একটি নির্দিষ্ট রাতে, শামীমা তার পিতার মৃত্যু সম্

পর্কে সত্য বাহির করে এবং তার সাথে মুজিবুর রহমান

একটি নাটকীয় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন — যেখানে সংস্

কার ও আধুনিকতার মধ্যে সীমানা নির্ধারণ হয়। শামীম

া তখন নিজেকে নারী হিসেবে নতুন সংস্কারের পথে সংগ্

রাম চালিয়ে যায় — এবং তার জীবন আজ তার মুক্তিযুদ

্ধের গল্প ও সংস্কারের সংগ্রামের মধ্যে সংখ্যাগুলো

বুঝতে শিখে।