বাগদাদের বাড়িতে খুঁড়ে পাওয়া হাড়গুলো সেই বছরে

চালানো হয়েছিল যখন সমগ্র বাংলাদেশ পাকিস্তানের অ

ংশ হিসেবে থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতার ঝাঁক বাতাসে ব

াঁধা পড়েছিল। একজন ভণ্ড সাধু বাগদাদের পুরো গোষ্ঠ

ীর সামনে জানায় যে তিনি মহামানব এবং প্রতিটি মানু

ষ তাঁর কাছে আসার জন্য উপযুক্ত নয়, কেবল সেই সম্প

্রদায়ের মেয়েদের জন্য তিনি সাধু হিসেবে আসেন।

বাগদাদের মেয়ে রানু একদিন তার বাবার মৃত্যুর পর থ

েকে ঘরের বাইরে যাওয়ার স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলে। ত

ার বাবা তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর দুই শিশুকে ছেড়ে দি

য়ে মারা যান। সেই সময় থেকে রানু জানে যে ঘরের কা

জে তার জায়গা নেই এবং তার জীবন তখন থেকে অনির্ধার

িত হয়ে যায়।

একদিন সে সেই ভণ্ড সাধুকে দেখে যিনি ঘরে ঢুকে পরে

বলেন যে রানুকে তাঁর কাছে আসার জন্য বাধ্য করা হবে

। সে জানে না কেন তাকে এভাবে বাধ্য করা হচ্ছে, কিন

্তু তার ঘরের সবাই তাকে বাধ্য করে সেই সাধুর কাছে

যেতে। সে যায়, এবং সেই সাধু তাকে বলে যে তার জীবন

এখন তাঁর সঙ্গে চলবে।

রানু তার স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলে এবং তার জীবন এখন

সেই সাধুর কাছে চলবে। সে তার জীবনে কোন বিয়ে হবে

না কিংবা কোন পরিবারে তার জায়গা থাকবে না — সে এ

খন সেই সাধুর জীবনের অংশ হয়ে যায়।

এই ঐতিহাসিক যুগে যেখানে স্বাধীনতার ঝাঁক বাতাসে ব

াঁধা পড়েছিল, রানুর জীবন এখন অনির্ধারিত বিয়ে এব

ং জোরপূর্বক বিয়ে হয়ে যায়, যা রোমাঞ্চকর হয়ে উ

ঠে।