ঢাকার এক পুরানো বাড়ি শূন্য। একটি বিধবা নারী সেখ

ানে বসবাস করে, দৈনিক জীবনে কেবল স্মৃতির সাথে লড়

াই করে। অপরাধী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তার চ

োখে ছাপ দিয়েছে। একদিন এক রহস্যময় আগন্তুক বাড়ি

তে ঢুকে পড়ে। তার কথা শুনে নারী চমকে উঠে। আগন্তু

ক কথা বলে না, কেবল চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। সে কারও

ছবি চাওয়া হয়নি, কিন্তু সে যেন কারও স্মৃতি খুঁ

জছে।

বাড়ির কোণে একটি গোপন কক্ষ আছে, যেখানে পুরানো তথ

্য রয়েছে। আগন্তুক সেখানে পৌঁছায়। নারী তাকে অনু

সরণ করে। কক্ষে একটি ফাঁকা বাক্স আছে, যার চাবি হা

রিয়ে গেছে। আগন্তুক বাক্সটি খুলে দেখে যে তাতে এক

টি মুক্তিযুদ্ধের দস্তাবেজ আছে, যেটি বিশেষ কাউকে

দেখানো হয়নি। নারী দস্তাবেজটি হাতে নিয়ে তার সাথ

ে বাইরে আসে।

আগন্তুক বলে না, কিন্তু তার চোখে বিশ্বাস আছে। নার

ী বুঝতে পারে যে আগন্তুক মুক্তিযুদ্ধের সত্য খুঁজছ

ে। তারা সেই দস্তাবেজটি কাউকে দেখানোর সিদ্ধান্ত ন

েয়। কিন্তু আগন্তুক আবার একদিন বাড়িতে আসে, কিন্

তু এবার তার চোখে ভয় আছে। সে কথা বলে না, কিন্তু

তার হাতে একটি টেলিফোন আছে, যার কালো মুখে কোনো ফো

ন নম্বর নেই।

নারী টেলিফোনটি হাতে নিয়ে সেই ফোন করে। কিন্তু কে

উ উত্তর দেয় না। আগন্তুক তার চোখে দেখে যে নারী স

েই ফোন করেছে। তার চোখে একটি ছায়া ফুটে ওঠে। নারী

বুঝতে পারে যে আগন্তুক একটি ভূত হতে পারে। কিন্তু

সে এখন তার সাথে বাড়ি ছাড়ার প্রস্তাব করে।

নারী তার বাড়ি ছেড়ে যায়, কিন্তু আগন্তুক তার পি

ছনে থাকে। তারা একটি জায়গায় পৌঁছায়, যেখানে একট

ি পুরানো স্মৃতিস্তম্ভ আছে। আগন্তুক সেখানে একটি ক

াগজ খুঁজে পায়, যেটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সম্পর্

কে বলে। নারী কাগজটি হাতে নিয়ে পড়ে, কিন্তু সেটি

তার স্মৃতিতে আঘাত করে।

আগন্তুক একটি কথা বলে না, কিন্তু তার চোখে একটি ছা

য়া ফুটে ওঠে। নারী বুঝতে পারে যে আগন্তুক মুক্তিয

ুদ্ধের সত্য খুঁজছে, কিন্তু সে সেই সত্য পেয়ে যায

় নি। তারা সেই সত্য খুঁজে পায় নি, কিন্তু তাদের

মধ্যে একটি সংযোগ হয়ে যায়। আগন্তুক একদিন বাড়ি

ছাড়ে, কিন্তু নারী তাকে বাড়িতে আসতে বলে।